কক্সবাজার শহরের অভ্যন্তর হতে বিমানবন্দর ও বিমান ঘাটিঁ সরিয়ে নেয়ার দাবীর প্রতি সমর্থন বাড়ছে

সমুদ্রকন্ঠ রিপোর্ট ॥
শহরের অভ্যন্তরে (বর্তমান স্থানে) অপরিসর স্থানে আন্তর্জাতিকমানের বিমান বন্দর ও বিমান ঘাটিঁ সরিয়ে নেয়ার দাবীর প্রেক্ষিতে অনেকেই সমর্থন প্রকাশ করছেন। আবারো অনেকেই সরাসরি বিরোধিতাও করছেন। কারো কারো অভিযোগ এতো দেরীতে কেনো এই দাবী তোলা হলো।
ফেসবুকে মোয়াজ্জেম রিয়াদ লিখেছেন,ভাল করে দেখুন ককসবাজার শহরের আয়তনের দ্বীগুন ভূভাগ চলে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে । তাছাড়া ছোট এই শহরের অভ্যান্তরে কিভাবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট অবতরন করবে , শহরের সব ঘরবাড়ি অর্ধেক
আয়ু ও পাবেনা । সমগ্র জেলায় প্রায় ৫০ হাজার একর জমি অধিগ্রহন হচ্ছে যারা কারনে লক্ষ মানুষ গৃহহীন হবে তাদের মাথা গুজার স্থান কোথায় ? বর্তমানে যে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হচ্ছে তা ককসবাজারবাসীর স্বার্থ ও অধিকার ক্ষুন্ন করে জোর করে চাপিয়ে দেয়া যার শেষ সীমানা কলাতলী পর্যন্ত । যদি ককসবাজারের মানুষ মসে করে তাদের জন্য এটি আতœঘাতী তবে তা লক্ষ কোটি টাকা ক্ষতি হলেও সরিয়ে নিতে হবে সরকার কে । এ শহরটা আমাদের সুতরাং আমাদের স্বার্থ আমাদের কে রক্ষা করতে হবে । হতাশাবাদীরা কখনো কিছু করতে পারেনা , তারা পারেনা ভাঙ্গতে , পারেনা গড়তে ! যারা বিমান বন্দর সরানোর কথা বলেছেন তারাই প্রশাসনের ফোরামে কথা বলেন সুতরাং প্রতিরুধ গড়তে হলে হাউজের ভেতরে বাইরে গড়তেই হবে । তাতে আপনাদের মত কেউ কেউ প্রস্থাবের বিপক্ষে থাকতেই পারেন , তাতে সিধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কিছু যায় আসেনা !
নাজমুল হোসেন মিঠু লিখেছেন, পৃথিবীর কোনো বিমান বন্দর এবং বিমান ঘাটি শহরের ভিতর নেই,রুল অনুযায়ী শহর থেকে কমপক্ষে ২৫ কিলোমিটার দূরে বিমান বন্দর এবং ঘাটি স্থাপন করতে হয়।আর সেই দিক দিয়ে বিচার করলে এটা কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বার ওয়ার্ডে নির্মান করা হচ্ছে।
তানিউল ইসলাম কায়েফ লিখেছেন, আমাদের সুখ সান্তি চলে গেছে ওই বিমান বন্দরের জন্য!ওরা কেড়ে নিয়েছে আমাদের জায়গা আমাদের গ্রাম! আমাদের খেলার মাঠ সব খালি জায়গা এখন দখল হয়ে গেছে।
মোঃ আশরাফুল ইসলাম লিখেছেন, ছোট টুরিস্ট শহরের মাঝখানে বিমান বন্দর ও বিমান ঘাঁটি স্থাপন করে কি উন্নয়ন হবে তা আমাদের বোধগম্য নয় ।
তবে,হেলাল উদ্দিন লিখেছেন, যারা এ বিষয়ে কথা বলছে তারা আসলে কক্সবাজারের উন্নয়নের বিপক্ষে। পর্যটন নগরী হিসেবে কক্সবাজার বিমানবন্দর সঠিক স্থানে অবস্থিত। মূলত আমাদেরকে পর্যটন বিকাশের লক্ষে সমুদ্রের নিকটবতবর্তী এলাকাসমূহ বিভিন্ন রকম বিনোদন পার্ক এবং অনান্য পর্যটনবান্ধব স্থাপনা করে স্থানীয় জনবসতিকে শহরের অদুরে কোন পরিকল্পিত নগরী গড়ে তুলে সেখানে সরিয়ে নেওয়া দরকার। এই উদ্যোগ গ্রহন করা হলে কক্সবাজারের সর্বস্তরের জনগন আর্থিক এবং সামাজিকভাবে লাভবান হবে। যারা সরে যাবে তারাইতো ঐ স্থাপনা গুলোর মালিক হবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: