রোহিঙ্গাদের দখলে ৬ হাজার একর বনভূমি, পাহাড়ধসের আশঙ্কা

রো

উখিয়া আর টেকনাফে ৬ হাজার একর বনভূমি দখলে নিয়েছে রোহিঙ্গারা। মাইলের পর মাইল বনাঞ্চল উজাড় করে ঘর-বাড়ি তৈরি করেছে তারা। এর ফলে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ আর বন্যপ্রাণী। ধ্বংস হয়েছে ৬ হাজার ১৬৩ হাজার একর বনও। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে রোহিঙ্গা বসতি এলাকায় পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে।
এ ছাড়া বসতি স্থাপন করতে গিয়ে এশিয়ান হাতির আবাসস্থল ও বিচরণ ক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকলে উখিয়া ও টেকনাফের বনাঞ্চল সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে বন বিভাগ।
বন বিভাগ এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে ৩ মার্চ একটি চিঠি ও একটি প্রতিবেদন পাঠিয়ে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে। বিশেষ করে জ্বালানির ব্যবস্থা করতে না পারায় বনভূমির ওপর চাপ বাড়ছে।
রোহিঙ্গা বসতির কারণে বনভূমির ওপর চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে বন বিভাগ।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতি মাসে রোহিঙ্গাদের ৬ হাজার ৮০০ টন জ্বালানি কাঠ প্রয়োজন। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে বিভিন্ন ধরনের ত্রাণসামগ্রী দেওয়া হলেও রান্নার জন্য জ্বালানির ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। ফলে প্রতিদিনই তারা বনাঞ্চল থেকে জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ করছে।
বন বিভাগ তাদের পাঠানো প্রতিবেদনে বলেছে, ঘরবাড়ি নির্মাণের জন্য বন থেকে প্রচুর কাঠ ও বাঁশ সংগ্রহ করছে রোহিঙ্গারা। পাহাড় কেটে মাটি সমান করে ঘরবাড়ি তৈরি করছে। এতে বর্ষা মৌসুমে রোহিঙ্গা বসতি এলাকায় পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: