হুমকিতে সেন্টমার্টিন দ্বীপ

কংক্রীটের জঞ্জাল থেকে একটু স্বস্তি ও বিনোদনের জন্য গ্রিনলাইন, এলসিটি, কাজলসহ কয়েকটি জাহাজে করে পর্যটকরা জীববৈচিত্র্যে ভরা সেন্টমার্টিনে হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তারা জাহাজ থেকে ভাঙ্গা জেটি দিয়ে পার হয়ে প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে যাচ্ছেন। তাদের বাড়তি চাপে সেন্টমার্টিন দ্বীপের ৬৮ প্রজাতির প্রবাল, ১৫১ প্রজাতির শৈবাল, ৪০ প্রজাতির কাঁকড়া, ২৩৪ প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ হুমকিতে।
এছাড়া নানা উভচর প্রাণী এবং পাখিও পর্যটকদের চাপে বিলুপ্তির পথে। এসব দেখার কেউ নেই। বর্তমানে চরমভাবে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। নিয়ম ভেঙেই কংক্রিটের বহুতল হোটেল, ভবন নির্মাণ এবং খোলা পায়খানা নির্মাণ করে পরিবেশ নষ্ট করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার সরকারের। সম্প্রতি সেন্টমার্টিনের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে এমনই চিত্র পাওয়া গেছে।
এসব রক্ষা করতে প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও মূল কাজে হাতই দেয়া হয়নি। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা শুধু বেতন-ভাতা নিয়ে বছরের পর বছর পার করছেন। পেট্রোল, তেল ও সোলার সিস্টেমে ব্যয় করা হয়েছে লাখ লাখ টাকা। শুধু তাই নয়, বরাদ্দ না থাকলেও বৃক্ষরোপণের নামে লাখ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। পর্যটক থেকে শুরু করে স্থানীয়রা শতভাগ টিউবওয়েলের পানি পান করলেও সেই পানির উৎস বর্তমানে ঝুঁকির মুখে।
প্রায় তিন বছর আগে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যর উন্নয়নে ‘প্রতিবেশগত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্যর উন্নয়ন, ব্যবস্থাপনা ও সংরক্ষণ শীর্ষক একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হলেও মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়মিত মনিটরিং না করার কারণে এ দুরবস্থা। এসব জানতে সম্প্রতি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ-আইএমইডি এক নিবিড় পরিবীক্ষণ করে। তাতে এই তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সেন্টমার্টিন দ্বীপের স্থানীয় লোকজন খুবই গরিব। মাছ ধরা তাদের পেশা। তাদের প্রশিক্ষণের জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। অভাবে পড়ে তারা নিজেদের জায়গা জমি হোটেল-মোটেল মালিকদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ বছর আগে মানুষ বসতি স্থাপন করেন। প্রথমে বিভিন্ন এলাকার ১৩ জন মানুষ এ দ্বীপে বসবাস শুরু করেন বলে এ প্রতিবেদকে জানান দক্ষিণপাড়া কোনাপাড়ার লিয়াকত আলী।
তিনি বলেন, আমার বাবা প্রথম ১৩ জনের একজন হলেও আমার পরিবারে বর্তমানে মানুষ হচ্ছে প্রায় ৭০ জন। ছেলেরা মাছ ধরা ও দোকানদারি করে জীবন-যাপন করে। বর্তমানে লোক বেড়ে সাত হাজারের বেশি মানুষ এখানে বসবাস করছেন। প্রায় ৯৫ ভাগ মানুষই ২০ বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করে আসছেন। আমরা গরিব হলেও অন্য জায়গার মানুষ এসে এখানে বড় বড় হোটেল করছে। যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ জমা হচ্ছে।
পরিষ্কার করার কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই এ দ্বীপের ক্ষতি হচ্ছে। একমাত্র কোরাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্যের উন্নয়ন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি গড়ে তোলা এবং সেন্টমার্টিন দ্বীপের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে একটি প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের আওতায় এ প্রকল্পটি ২০১৬ সালের জুলাই শুরু হয়ে ২০২০ সালের জুনে শেষ হবার কথা। বাস্তবায়নকারী সংস্থা হচ্ছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
প্রকল্পের প্রধান কাজ ধরা হয় মেরিন পার্কের এক্সেসরিজ সংরক্ষণ, মাল্টিমিটার, কাঠের ওয়াচ টাওয়ার, ডিমারকেশন জোনিং, টার্টল হেচারি এন্ড গ্রাউন্ড এবং সেফটি অ্যাংকার করা। এসব কাজের জন্য ব্যয় ধরা হয় প্রায় ১৬ কোটি টাকা। ২০১৬ সালের জুলাই মাসে কাজ শুরু হয়েছে। প্রায় তিন বছর কেটে গেছে। তারপরও নেই কোনো গতি।
তাই আইএমইডি থেকে প্রতিটি আইটেম অনুযায়ী অগ্রগতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। তার খসড়া প্রতিবেদন সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক লাফে শুধু মার্চ মাসেই লক্ষ্যমাত্রা ২২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হলেও প্রায় ৩৬ লাখ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। যা ১৬১ শতাংশ বেশি। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতায় ব্যয় করা হয়েছে ১৭ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। সোলার সিস্টেমে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ১০ লাখ টাকা। টার্টল হেচারি ও টাওয়ারে ব্যয় করা হয়েছে ৩ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। ২টি জেনারেটরে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ১২ লাখ টাকা। পেট্রোল, তেল ও লুব্রিকেন্টসে ব্যয় করা হয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার টাকা।
ভ্রমণে ব্যয় করা হয়েছে ৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা। পাখি শুমারিতে ব্যয় করা হয়েছে ৬ লাখ টাকা। তবে সমুদ্রতীর পরিষ্কার এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এক কোটি ২৮ লাখ টাকা বরাদ্দ থাকলেও কোনো অর্থ ব্যয় করা হয়নি। আর বরাদ্দ না থাকলেও বৃক্ষরোপণে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৫ লাখ টাকা। এভাবে শুরু থেকে মার্চ পর্যন্ত আর্থিক অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ১৭ দশমিক ৩৮ শতাংশ। এখনো বাকি রয়েছে ৮৩ শতাংশ কাজ। প্রধান প্রধান কাজই হয়নি। স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করতে না পারায় এ প্রকল্প বিলম্ব হয় বলে সূত্র জানায়।
এসব জানতে যোগাযোগ করা হলে সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুর আহমেদ এ প্রতিবেদককে জানান, ৩ বছর থেকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছি। এ সময়ে সেন্টমাটিনের জীববৈচিত্র্য উন্নয়নে কোনো প্রকল্প হচ্ছে বলে আমাকে কেউ জানাননি। আমার সঙ্গে এ নিয়ে কখনো কেউ কথাও বলেনি। বরং আপনি কিছু প্রশ্ন করছেন বলে জানতে পারছি। প্রকল্পের বৃক্ষরোপণ প্রসঙ্গে বলেন, এখানে কখনো বৃক্ষরোপণ চোখে পড়েনি, তা দেখিনিও। সোলার সিস্টেমের কাজ কোথায় হচ্ছে তাও জানি না।
বরং প্রশ্ন করে বলেন, ইডকলের প্রকল্পে বেশি টাকা নিয়ে সংযোগ দিচ্ছে কোম্পানি। এতে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাতে নজর দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় তা বলা হয়েছে। প্রায় সাড়ে ৮ হাজার লোকের এক হাজার ৪৫৪টি পরিবারের মধ্যে আড়াই-তিনশ পরিবার বিদ্যুৎ সংযোগ পেয়েছে।
অপর প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এখানে হাসপাতাল থাকলেও ডাক্তার নেই। স্বাস্থ সচিব এক সময়ে এখানে আসলে ডাক্তার আসা শুরু হয়। তিন মাস থাকার পর আর আসেন না ডাক্তার। তাই চিকিৎসার অভাবে ডেলিভারি মহিলা ও ডায়রিয়ার রোগী মারা যায়। খুবই কষ্ট লাগে। তাই আবার হাসপাতালে ডাক্তার থাকার জন্য বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এ দ্বীপের ১৯ শতাংশ মানুষই দোকানদার, মাছধরার সঙ্গে যুক্ত ১৫ শতাংশ। মাছের ও খাবারের ব্যবসা করে ১৬ শতাংশ, দিনমজুর প্রায় ৯ শতাশ এবং হোটেল ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রায় ৪ শতাংশ। আর বাড়ির কাজ করেন ২৫ দশমিক ৬ শতাংশ। দ্বীপের লেখাপড়ার জন্য পর্যাপ্ত শিক্ষার সুযোগ নেই।
৩৯ শতাংশই অশিক্ষিত এ এলাকার মানুষ। শুধু সই করতে পারে ২৬ শতাংশ। ২৩ শতাংশ মানুষ প্রাথমিক শিক্ষা এবং ৬ শতাংশ মানুষ এসএসসি পাস। বছরের সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত জেলেরা মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত থাকে। বাকি সময় অন্য কাজ করে। প্রায় ৮৩ শতাংশ মানুষের বিকল্প কোনো আয়ের উৎস নেই।
পর্যটন এলাকা হওয়ায় দৈনন্দিন জিনিসপত্রের দাম অত্যন্ত বেশি। সে জন্য সাধারণ মানুষের কোনো সঞ্চয় থাকে না। সেন্টমার্টিনে প্রতিদিন প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার পর্যটক ঢোকেন। দ্বীপের সবাই খাবারর জন্য টিউবওয়েলের পানি ব্যবহার করেন। কিন্তু ৬৮ শতাংশ মানুষই মনে করেন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পানির উৎস।
শুধু তাই নয় অপরিকল্পিতভাবে পয়ঃনিষ্কাশনব্যবস্থা এবং যত্রতত্র প্রতিনিয়ত আবর্জনা ফেলার কারণে দ্বীপের পানি দূষণ ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। দ্বীপের ৬৭ শতাংশ মানুষ কাঁচা পায়খানা ব্যবহার করেন। যা মোটেই স্বাস্থ্যসম্মত নয়। বর্তমানে সারা দেশে ৯১ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পেলেও সেন্টমার্টিনে মাত্র ৫৭ শতাংশ বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ আছে। এরমধ্যে ৫০ শতাংশ সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন।
সূত্র আরও জানায়, প্রাকৃতিক ও মানুষের কারণে দ্বীপের জীববৈচিত্র্য বর্তমানে হুমকিতে। অতিরিক্ত পর্যটকের পাশাপাশি তাদের অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ডের পর পয়ঃনিষ্কাশনব্যবস্থা ও আবর্জনা সমস্যা চরম আকার ধারণ করেছে। দ্বীপের পরিবেশ চরমভাবে নষ্ট হচ্ছে। নিয়ম ভেঙে কংক্রিটের বড় বড় হোটেল, মোটেল ও বাসাবাড়ির বর্জ্য সাগরে ফেলা হচ্ছে। ফলে ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র্য। কারেন্ট জালের ব্যবহারে প্রচুর কচ্ছপ জালে পড়ে আটকে পড়ে মারা যাচ্ছে।
সমুদ্রতীরে সাইকেল ও মটরসাইকেল চালানোর কারণে তীরের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্লাস্টিক ও সিগারেটের টুকরো ফেলা এবং আলো দূষণ করা হচ্ছে। দ্বীপে কুকুরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় কচ্ছপের ডিম পাড়া এবং হ্যাচিং হুমকির মধ্যে বলে মানুষ অভিযোগ করে জানান। সরকার ১৯৯৯ সালে দ্বীপকে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করলেও ৬৬ শতাংশ মানুষ প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকা বিষয়ে কিছুই জানেন না। দীর্ঘ সময়েও সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্যের উন্নয়নে অগ্রগতি নেই।
প্রকল্পের অগ্রগতি মাত্র ১৭ শতাংশ। ত্রুটিপূর্ণ ডিজাইন ও স্পেসিফিকেশন সঠিকভাবে না করায় ঘনঘন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয়। জনবলের অভাবে প্রকল্পের প্রাক্কলিত অর্থ কোনো বছরই ব্যয় করা সম্ভব হয়নি। তাই বাকি সময় ৮৩ শতাংশ অর্থ ব্যয় করা সম্ভব নয়।
এজন্য সব কাজ সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে ছোট প্রকল্প হলেও সময় বাড়ানো দরকার। দ্বীপে একটি সমন্বিত বিদ্যুৎ সঞ্চালন এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করতে হবে। স্থানীয় জনগণকে সমতলে সরিয়ে নিয়ে দ্বীপকে শুধু পর্যটনের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে বলে আইএমইডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা জানায়, সমুদ্র সৈকতের যত্রতত্র গড়ে উঠেছে দোকানপাট। এতে করে সৈকতে প্লাস্টিক বর্জ্য, সিগারেট ফিল্টারসহ অন্য বর্জ্য ফেলো সৈকতের সৌন্দর্য্য নষ্ট করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, ২০০৬ সালে দ্বীপের মধ্যভাগে মেরিনপার্ক গড়া হলেও বর্তমানে সেটি পরিত্যক্ত। সেন্টমার্টিনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এর সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের পাশে ছেড়া দ্বীপ। জনশূন্য এই ছেড়া দ্বীপের অপরূপ দৃশ্য দেখতে ছুটে যাচ্ছেন পর্যটকরা। এতে দিন দিন এ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যও হুমকির মুখে পড়ছে।
কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুল হাসান জানান, সেন্টমার্টিনে পর্যটক আগমন বৃদ্ধি পাওয়াকে পুঁজি করে গত দুই দশকে এ দ্বীপে অবৈধভাবে বহু হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। গড়ে তুলেছে অনেক বহুতল ইমারত। এসবের একটিতেও পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বা অনুমতি নেই।
এ দ্বীপে আগে তালগাছসহ অনেক উঁচু গাছপালা ও কেয়াবন ছিল, তা কেটে অনেকে বড় বড় স্থাপনা নির্মাণ করেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ইউপি সদস্য বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপ এবং দ্বীপের পরিবেশ প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা খুবই দরকার। অতিরিক্ত পর্যটকদের কারণে ইতোমধ্যে দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: