২ জুলাইয়ের মধ্যে ধ্বংস করা হবে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ

২ জু

গত ১৮ জুন হাইকোর্টের দেয়া এক নির্দেশনায় সকল মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করতে বলা হয়। এ রায় বাস্তবায়নে রাজি হয়েছে ফার্মেসি এবং ওষুধ কোম্পানিগুলো। আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে সকল মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে সম্মত হয়েছে প্রতিষ্ঠানগুলো।
রোববার ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের সভাকক্ষে সব স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে আয়োজিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ওষুধ শিল্প সমিতি, বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি, ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি, আমদানিকারক, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের প্রতিনিধিরাসহ র্যা বের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফার্মেসি থেকে সংগ্রহ করে তা নিজস্ব ব্যবস্থায় এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে ধ্বংস করবে ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো। এ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর তাদের রাজি করানো গেছে। এছাড়া আরও জানা যায়, ওষুধ ধ্বংস করার পর ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরকে তা রিপোর্ট আকারে জানাতে হবে। এই সংক্রান্ত একটি চিঠি অধিদফতরের পক্ষ থেকে সব স্টেকহোল্ডারকে পাঠানো হবে।
বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো মাহবুবুর রহমান।
প্রসঙ্গত, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ ধরনের ওষুধ বিক্রিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং মজুত ও বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ১৮ জুন রুলসহ এই আদেশ দেন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: