অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানরত শাবনূরের মৃত্যুর গুজব

সোশ্যাল মিডিয়ায় থেকে সিনেমাপাড়ায় ছড়িয়ে পড়েছে শাবনূরের মৃত্যুর গুজব। গতকাল সন্ধ্যায় এ গুজব ছড়িয়ে পড়ে। আর এ ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই ক্ষিপ্ত হয় শাবনূরের পরিবার।
এমন গুজব ছড়িয়ে পড়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে শাবনূরের ছোট বোন ঝুমুর বলেন, কয়েকদিন পর পর বিভিন্ন শিল্পীদের মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়। কে বা কারা কোন উদ্দেশ্য নিয়ে এটা করে আমার জানা নেই। শাবনূর আপার কিছুই হয়নি। তিনি ভালো আছেন, সুস্থ আছেন, বেঁচে আছেন। অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতেই আছেন তিনি। শিগগিরই বাংলাদেশে ফিরবেন। কেউ দুশ্চিন্তা করবেন না।
বছর দুয়েক আগে গুজব ছড়িয়ে ছিল নব্বই পরবর্তী বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূর এক ভয়ংকর রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এবার নতুন ধরনের এই গুজব ছড়ানো হয়।
সম্প্রতি একজন শীর্ষ অভিনেতা বলেন, বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানোর মূল উৎস ইউটিউব। সেখানে থাম্বনেইল ইমেজে এক খবর থাকে ক্লিক করলে আরেক খবর আসে। কিন্তু যারা ক্লিক করে না, তারা না বুঝেই বিভিন্ন জনের সাথে আলোচনা করেন। কিছু ইউটিউবারের কারণে এমন গুজব সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর ব্যবসায়ী অনিক মাহমুদের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হয় এবং ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর তাকে বিয়ে করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস শুরু করেন ও নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর তিনি ছেলে সন্তানের মা হন। তার ছেলের নাম আইজান
শাবনূর ১৯৭৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার নাভারণে জন্মগ্রহণ করেন। শাবনূরের পর্দার পেছনের নাম নুপুর। প্রথম চলচ্চিত্র কিংবদন্তি পরিচালক এহতেশামের ‘চাঁদনী রাতে’। ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর ‘চাঁদনী রাতে’ মুক্তি পায়। সাব্বিরের বিপরীতে অভিনীত চলচ্চিত্রটি ব্যবসায়িকভাবে ব্যর্থ হয়।
তবে শাবনূরের মুগ্ধতার ইতিহাস শুরু হয় ১৯৯৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জহিরুল হক পরিচালিত ‘তুমি আমার’ ছবিটি দিয়ে। সালমান শাহের সঙ্গে জুটি বেঁধে এই নায়িকা ১৪টি ছবি করেন। তার সবগুলোই রেকর্ড সংখ্যকভাবে ব্যবসায়িক সাফল্য পায়। এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে সফল জুটিগুলোর অন্যতম।

Leave a Reply

%d bloggers like this: