আফগানে নিরাপত্তা ইস্যু: ফিফার দিকে চেয়ে আছে বাফুফে

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় যুদ্ধাঞ্চল হিসেবে বহুল পরিচিত আফগানিস্তানে নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে এর আগেও অনেক প্রশ্ন উঠেছে। ফুটবলে ফিফা থেকে এএফসি সবাই সেই দেশে গিয়ে খেলানোর বিষয় নিয়ে উদ্বীগ্ন। কারণ একটাই নিরাপত্তা ইস্যু। সেই ইস্যু আবার সোচ্চার হয়েছে কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্বের বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হিসেবে আফগানিস্তানের নাম ওঠার পর থেকেই।
প্রথম ম্যাচেই আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলবে জামাল ভূঁইয়ারা। প্রথম ম্যাচটাই অ্যাওয়ে। তবে, নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ম্যাচের ভেন্যু এখনও চূড়ান্ত হয়নি। এ নিয়ে উদ্বেগের ভাঁজ বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কপালে।
বহু বছর ধরেই দেশটির বিভিন্ন শহরে হামলার ঘটনা ঘটছে। প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে অহরহ। তাই রাশিয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে আফগানিস্তানের ভেন্যু কাবুল বা তাদের অন্য শহরকে বাদ দিয়ে তেহরান ও তাজিকিস্তানের দুশানবেতে নিয়েছিল ফিফা।
এবারও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ফিফারও। আফগানিস্তানেই হোম ভেন্যু হবে কি হবে না তা চূড়ান্তভাবে জানা যাবে ৩১ জুলাইয়ের পর। ফিফাই বিষয়টি নিশ্চিত করবে। তাই আপাতত কোনও উদ্যোগ নিচ্ছে না বাফুফেও। ফিফার সিদ্ধান্তের উপর চেয়ে আছে দেশের সর্বোচ্চ ফুটবল অভিভাবক।
এ বিষয়ে বাফুফের সাধারণ সম্পাদক আবু নাইম সোহাগ সারাবাংলাকে জানান, ‘আমরাও খেলতে চাই না ওই দেশে। তবে, এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিবে ফিফা। সিদ্ধান্ত জানার পর আমরা প্রদক্ষেপ নিবো।’
১০ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে জামাল-মতিনদের বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের মিশন। ম্যাচটি অ্যাওয়ে খেলবে বাংলাদেশ। তার এক মাস পর ১০ অক্টোবর কাতারকে আতিথ্য দিবে লাল-সবুজরা। চারদিন পর ১৫ অক্টোবর ভারতের মাটিতে অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে বেঙ্গল টাইগাররা। পরের ম্যাচটাও অ্যাওয়ে খেলবে ওমানের মাটিতে। ম্যাচটা হবে ১৪ নভেম্বর। এ বছর আর কোনও ম্যাচ নেই। ২০২০ সালের ২৬ শে মার্চ আফগানদের আতিথ্য দেবে বাংলাদেশ। ৩১ শে মার্চ কাতারের মাটিতে অ্যাওয়ে ম্যাচ। ৪ এপ্রিল ভারতকে আতিথ্য দেবে বাংলাদেশ। সবশেষ ম্যাচটি ৯ জুন ওমানকে আতিথ্য দেবে লাল-সবুজরা। এর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা সমাপ্ত হবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: