কক্সবাজার শহরে টমটমে পৌরসভার নকল নাম্বার লাগিয়ে ভয়াবহ প্রতারণা!

সমুদ্রকন্ঠ রিপোর্ট ॥
টমটমে কক্সবাজার পৌরসভার নকলপ্লেট ব্যবহার করে ভয়াবহ প্রতারনা করে আসছেন যুবদল নেতা জরিপ আলী ।দীর্ঘদিন এমন প্রতারনা করে আসলেও কার্যকরি পদক্ষেপ নেয়নি পৌর কর্তৃপক্ষ।ফলে ওই ব্যক্তি দাপটের সাথে কক্সবাজার শহরে ৪০-৫০টি টমটমে নকলপ্লেট লাগিয়ে অবৈধভাবে ব্যবসা করে যাচ্ছেন।
পৌরসভা সূত্রে জানা যায়,কক্সবাজার শহরের ঝাউতলার জরিপ আলী দীর্ঘদিন ধরে টমটমে নকল প্লেট ব্যবহার করে প্রতারণা করে আসছে।এমন খবরে পৌরসভার লোকজন একাধিক বার অভিযান চালিয়ে তার টমটম জব্দ করে।কিন্তু ওই জরিপ আলী বিভিন্ন কৌশলে প্রভাব বিস্তার করে বারবার পার পেয়ে যায়।গতকাল তার টমটমে ব্যবহ্নত কক্সবাজার পৌরসভার ২০১৮-২০১৯ সনের ১৩৭৩,৯৬৩ ও ১৩৬২ নাম্বারযুক্ত তিনটি নকলপ্লেটের টমটম জব্দ করা হয়।পরে এগুলো যাচাই-বাছাই করলে প্রকৃত লাইন্সেসের মালিক পাওয়া য়ায়।ওই লাইন্সেসের একজনের ঠিকানা ইভানপ্লাজায়,আরেক জনের ঠিকানা নুনিয়াছড়া ও নতুন বাহারছড়ায়।
নাম গোপন রাখার শর্তে পৌরসভার এক স্টাফ বলেন,চারমাস আগেও জরিপ আলীর বেশ কয়েকটি নকল প্লেটসহ টমটম জব্দ করা হয়েছিল।পরে জরিপ আলী এমন প্রতারনা না করা মর্মে ৫ হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ছাড়া পায়।কিন্তু সে প্রতারনা বন্ধ করেনি।গত ১৬ জুলাই ৯৬৩ নং নকলপ্লেটসহ একটি টমটম ও ১৭ জুলাই তিনটি টমটম জব্দ করা হয় ।এতো অপরাধ করার পরও ওই জরিপ আলী অদৃশ্যভাবে পার পেয়ে যাচ্ছে।
এদিকে,জরিপ আলী থেকে সদরের খুরুলিয়ার এক ব্যক্তি মাসিক চুক্তিতে টমটমের লাইন্সেস ভাড়া নেয়ার কথাবার্তা পাকাপোক্ত হলে ওইলোক পৌরসভায় গিয়ে প্লেটটির মালিকানা যাচাই-বাছাই করলে ঔইনামে কোনো লাইন্সেসের হদিস পাননি।অর্থ্যা জরিপ আলী নকলপ্লেট ভাড়া দিতে চেয়েছেন।বিষয়টি জানা জানি হলে পৌর লাইন্সেস বিভাগের নজরে আসে।এরপর থেকে তার টমটমের নকলপ্লেটের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হলে তার(জরিপ আলী) টমটম চালক এসব প্রতারনার গোমর ফাঁস করে দেন।
অপরদিকে,জরিপ আলীর জব্দকৃত টমটম চালক নকলপ্লেটের কথা স্বীকার করে দাপটের সাথে বলেন,আমার মালিক এগুলো পৌরসভাকে টাকা দিয়ে করেছে।তাই এগুলো আটকানোর ক্ষমতা কারো নেই।এর আগেও আমাদের টমটম আটকিয়ে রাখতে পারেনি।
এব্যাপারে জানতে জরিপ আলীর মোবাইলে একাধিকবার ফোন করেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

%d bloggers like this: