কৌতুক -17

কৌতুক #
এক ব্যক্তি হুজুরকে খাওয়ানোর জন্য দাওয়াত করছিল বাড়ীতে। কিন্তু তার বউ ছিল প্রচন্ড রকমের অলস। তার কষ্ট হবে বলে, সে হুজুরকে খাওয়াতে রাজী নয়। অগত্য স্বামীর পিরাপিরিতে কি আর করা। সে মনে মনে এক ফুন্দি এঁটে বলল আচ্ছা ঠিক আছে, দাওয়াত করো।
স্ত্রী কে রাজী করিয়ে সে হুজুরকে দাওয়াত করলো! হুজুর ঐ ব্যক্তির দাওয়াত গ্রহন করলো এবং সময়মত তিনি এসে হাজির হলেন।
এদিকে স্বামী বলল তুমি হলুদ এবং মরিচ বাটা শুরু করো, আমি বাজার করে নিয়ে আসি। এই বলে গৃহকর্তা বাজারে চলে গেলো।
হুজুর এসে শুনতে পেলো পাকের ঘরে কে যেন গুন গুন শব্দে করে কাঁদছে এবং কি যেন বাটছে। অনেকক্ষণ ধরে এ আওয়াজ শুনতে থাকলো হুজুর, কিছু সময় অপেক্ষা করে হুজুর চিন্তা করলো, ব্যাপার কি? আমি আসার পর থেকে একই শব্দ, একই অবস্থা:-?। হুজুর মনে মনে ভাবলো আমি একটু জিজ্ঞাসা করে দেখি কি অবস্থা!
তার পর হুজুর বলল ঘরে কে আছেন? ভিতর থেকে গৃহিনী বলল হুজুর আমি আছি; আর উনি বাজারে গেছেন। তো কি ব্যাপার আমি আসার পর থেকে শুনি আপনি কি যেন বাটছেন আর গুন গুন করে কাঁদছেন। কি হয়েছে বলেন তো। গৃহিনী বলল কি আর বলবো হুজুর দুঃখের কথা! আমার স্বামী আপনাকে দাওয়াত করে খাওয়ানোর নামে আমাকে একটি পুতা দিয়ে গেছে, ঘষে তা নাকি চিকন করতে হবে।
হুজুর বললো চিকন করবেন কেন? হুজুর এটা নাকি আপনার পিছনে দিতে হবে; কি বললেন- এ কথা শুনে হুজুর এক পা দু’পা করে ঘর থেকে বেড়িয়ে দৌড়। বলে কি রে!! দাওয়াত খাওয়াতে নিয়ে এসে এখন শুনি পুতো দেবে! surprised
এর পর বাজার থেকে কর্তা এসে বললো হুজুর কোথায়? স্ত্রী বললো আর বলো না; হুজুর আমার কাছে পুতাটা চেয়েছিল, আমি দেয়নি বলে হুজুর চলে গেছে।
বলো কি? এই বলে স্বামী বলে পুতা আমার কাছে দাও এখনই হুজুরকে দিয়ে আসি; এই না বলে তার স্বামী পুতা হাতে করে হুজুরের উদ্দেশ্যে দৌড় শুরু করলো আর ডাকতে লাগলো ও হুজুর ও হুজুর পুতা নিয়ে যান। হুজুর যেই না দেখে দাওয়াতকারী পুতা হাতে পিছে আসছে:o, হুজুর তো আরো দৌড়, খেয়ে না খেয়ে দৌড়, পরে কি মরে এর ইয়ত্তা নেই।

Leave a Reply

%d bloggers like this: