বিকাশের ‘দুর্বল সেবায়’ আবারো প্রতারিত গ্রাহক

বিকাশের আর্থিক সেবার মান নিয়ে গ্রাহকের অভিযোগ অনেক পুরনো। ‘দুর্বল সেবার’ কারণে প্রতারণার ঘটনাও নতুন নয়। সেবার মান নিয়ে বিকাশের অতোটা মাথাব্যথা না থাকলে প্রতারিত হতে হচ্ছে গ্রাহককেই। এমনই একজন গ্রাহক মো. হারুন-অর-রশিদ।
বৃহস্পতিবার বিকাশে লেনদেন করতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ শিক্ষার্থী।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, ‘গত ১৫ মে একজন কল করে বিকাশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে আমার নম্বরে বিকাশের পাঠানো ভ্যারিফিকেশন কোড জানতে চায়। যেটা দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এটা বিকাশের পাঠানো নয়। এরপর একাউন্টের কাজ করতে পিন ও ভ্যারিফিকেশন কোড লাগবে বলে বার বার কল করতে থাকে। অনেক বার অস্বীকৃতি জানালেও কাজের চাপ ও রোজার মাস হওয়ায় একসময় বিরক্ত হয় বিকাশের পাঠানো কোড, পিন নম্বর দিয়ে দেই। কারণ আমার একাউন্টে মাত্র ৩২ টাকা ছিল।
পরে সুরেলা প্লাস টেলিকমের নিবন্ধিত বিকাশ এজেন্ট আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি পরামর্শ দেন, একাউন্টের পিন নম্বর পরিবর্তন করলেই আর কোনো সমস্যা থাকবে না। আমি তৎক্ষণাত পিন পরিবর্তনও করি।
কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় একজন বড় ভাই আমার বিকাশ একাউন্টে (০১৭৭৩-৯০৩৮১২) এক হাজার টাকা সেন্ড মানি করেন। সাড়ে ৮টার দিকে ক্যাশ আউট করতে গিয়ে দেখি আমার একাউন্টে মাত্র ৭০ পয়সা!’
বিকাশের এমন দুর্বল সেবায় প্রতারিত ওই শিক্ষার্থী হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, ‘আমি নিবন্ধিত এজেন্টের সঙ্গে পরামর্শ করার পরও আমার টাকা হারাতে হলো। এর দায় বিকাশকেই নিতে হবে। আমি যেকোন ভাবেই হোক আমার টাকা ফেরত চাই। সেটা বিকাশকেই দিতে হবে।’
এ বিষয়ে কথা বলতে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, পিআর অ্যান্ড মিডিয়া রিলেশান জাহিদুল ইসলামের ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

Leave a Reply

%d bloggers like this: