মাদ্রাসার ১১ ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার ভূইগর এলাকার দারুল হুদা মহিলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান কমপক্ষে ১১ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন বলে র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।
আজ রোববার সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজী র‌্যাব-১১ কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ সব তথ্য জানান র‌্যাব ক্যাম্পের সিও কাজী শাসসের উদ্দিন।
তিনি জানান, র‌্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন তিনি একেক দিন একেক ছাত্রীকে কৌশলে তার রুমে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করতেন। মাদ্রাসার আবাসিক ১১ ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন তিনি।
মাদ্রাসায় পড়তে আসা নিজের আত্মীয়ের আট বছরের শিশুকেও একাধিকবার ধর্ষণ করেছেন এই অধ্যক্ষ।
প্রেস ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন র‌্যাব-১১ এর মেজর নাজমুছ সাকিব তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলেপ উদ্দিন প্রমুখ।
অধ্যক্ষ মুফতি মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। রোববার দুপুরে নির্যাতিত ছাত্রীদের পক্ষ থেকে একজনের অভিভাবক বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ধর্ষণের শিকার ছাত্রীদের কেউ মুখ খোলার চেষ্টা করলে একেক জনকে একেক রকম অপবাদ দিয়ে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেয়া হতো।
র‌্যাব আরো জানায়, যে ছাত্রীর প্রতি তার নজর পড়তো, কৌশলে ওই ছাত্রীকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখাতেন এবং কথা না শুনলে তাবিজ করে পাগল করা ও পরিবারের ক্ষতি করার ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করতেন।
মাদ্রাসার ছাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে অধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১১ এর একটি দল।

Leave a Reply

%d bloggers like this: