রামুর ঈদগড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষক অাটকঃ ছাত্রী নিখোঁজ

অাবুল কাশেম সাগর,রামু

রামু উপজেলার ঈদগড় বড়বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষনের অভিযোগে একই স্কুলের শিক্ষক কে গ্রেফতার করেছে রামু থানা পুলিশ। গতকাল ২৭ শে জুলাই রাত ১২ টায় রামু থানার অফিসার ইনচার্জ আবুল খায়েরের নেতৃত্বে এস.আই মংছাই ও এ.এস.আই মুর্শেদ আলম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ী থেকে এ শিক্ষক কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত শিক্ষকের নাম এহেতেশামুল হক। সে বড়বিল গ্রামের আমানুল হকের পূত্র। শিক্ষক গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু থানার এ.এস.আই মূর্শেদ আলম।

জানাযায়, ঈদগড় বড়বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এহেতেশামুল হক দীর্ঘদিন খন্ডকালিন প্যারা শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিল। সেই সুবাধে ঈদগড় বড়বিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী কাটা জঙ্গল গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসীর কন্যা (নাম গোপন রাখা হল)(১২) বিগত ০১ জানুয়ারী হতে উক্ত শিক্ষকের বাড়ীতে প্রাইভেট পড়াত। ধর্ষিতা ছাত্রীর মা জানায় আমার মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথম গত ২৫-০১-২০১৯ ইং তারিখ জোর পূর্বক ধর্ষন করে এর পর হইতে নিয়মিত ভাবে ধর্ষন করে আসছিল উক্ত শিক্ষক । তিনি আরো জানান, বর্তমানে আমার মেয়ে ৬মাসের অন্ত:সত্ত্বা । বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে গত ২১ শে জুলাই সন্ধা ৭ঘটিকার সময় আমার মেয়ে কে উক্ত শিক্ষক ফুসলিয়ে নিয়ে গিয়ে গোপন করে ফেলে । গতকাল ২৭ শে জুলাই সকাল ১১ টায় ধর্ষিতা ছাত্রীর মা বাদী হয়ে উক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে রামু থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করলে থানা পুলিশ ঐ রাতেই শিক্ষক এহেতেশাম কে গ্রেফতার করে। রামু থানা নবাগত অফিসার ইনচার্জ অাবুল খায়ের সমুদ্রকন্ঠকে অাটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ভিকটিম ছাত্রীর মায়ের এজাহারের পেক্ষিতে খন্ডকালীন এক শিক্ষককে অাটক করে কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে এবং নিখোঁজ ছাত্রীকে উদ্ধারে তৎপরতা চলছে। অাসামী জিজ্ঞেসাবাদের জন্য অাদালতে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে৷ ২৮ জুলাই রাত ১১টা পযর্ন্ত ছাত্রীর কোন হদিস পাওয়া যায়নি। উক্ত ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: