স্বাচ্ছন্দ্য ও সুখী জীবনের সহজ ৫টি সূত্র

স্বাচ্ছন্দ্য ও সুখী জীবনের রহস্য কি, এ নিয়ে গবেষণার শেষ নেই। চারদিকে নানা সংকট ও পরিস্থিতির মধ্যে ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে কীভাবে ভালো রাখবেন তার জন্য রয়েছে পাঁচটি সূত্র। মনস্তত্ত্ববিদদের মতে, এতে রয়েছে সফলতার চাবিকাঠিও। আসুন দেখে নিই সুখে থাকার সূত্রগুলো।
না বলতে শেখা
সোজাসুজি কথা বলতে পারাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সবকিছু মেনে নেওয়ার অভ্যাস থেকে অপছন্দের অনেক কিছুতে ‘না’ বলা সম্ভব হয় না। এটা অনেকটা মিথ্যের আশ্রয় নেওয়ার মতো। এমন পরিস্থিতিতে আগে নিজের সঙ্গে বোঝাপড়া নিন। মতের অমিল হলে সরাসরি না বলতে শিখুন।
নিজের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেওয়া
অন্যের ইচ্ছাকে মানুষ নিজের স্বপ্নকে বিসর্জন দিয়ে দেয়। আপনার জীবনের ভার আপনারই। অতএব নিজের ইচ্ছাপূরণে নিজেকেই সচেষ্ট থাকতে হবে। নিজের পরিকল্পনাকে এগিয়ে নিতে প্রাধান্য দিতে হবে নিজের ইচ্ছাকেই। এতে বেরিয়ে আসবে নিজের ভুলটাও। হাঁটতে পারবেন নিজের পথেই।
অতিরিক্ত আশা না রাখা
জীবনে খুব বেশি আশা রাখা উচিত নয়। ছোট আশাকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়া উচিত। বড় কোনো আশা বাস্তবায়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করেও এগোতে পারেন। তবে অনেক আশা একসঙ্গে বাস্তবায়ন করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে পড়তে হয়ে। সেই সঙ্গে সফলতা না আসলে ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও প্রবল। যেটুকু পেয়েছেন বা পেরেছেন তাতেই সন্তুষ্ট থেকে নতুন কিছুর প্রতি এগিয়ে যান।
ভাবুন অন্যের কথাও
নিজের খুশির পাশাপাশি ভাবুন অন্যকে নিয়েও। অন্যকে খুশি রাখতে পারলে আপনারও মন প্রফুল্ল থাকবে। এ ছাড়া আরেকজনের আনন্দ আপনাকেও অনুপ্রাণিত করবে। নিজের পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের প্রতি জীবনে আপনার কিছু দায়িত্ব আছে, সেসবের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
মনোযোগী হয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া
রাগের বশে চট করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। এতে ভুল হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। যা করতে চাইছেন ভেবে চিন্তা করে সিদ্ধান্ত নিন। সাময়িকভাবে সফলতা পাচ্ছেন না বলে দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। নিজের সিদ্ধান্ত ও পরিশ্রমের ওপর ভরসা রাখুন। দেখবেন স্বপ্নপূরণে এগিয়ে যাচ্ছেন আপনি।

Leave a Reply

%d bloggers like this: