কউকের আপদকালিন সংস্কারে সড়কে স্বস্তি যাত্রীদের

আমিরুল ইসলাম মো:রাশেদ ::কয়েক মাস পরে ২৫৮ কোটি ৮১ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার শহরের হলিডে মোড়-বাজারঘাটা-লারপাড়া (বাস স্ট্যান্ড) প্রধান সড়ক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও আধুনিকায়নের কাজ শুরু করতে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এরমাঝে সড়কের খানাখন্দকে জনসাধারণের দুর্ভোগ লাঘবে আপদকালিন সংস্কার কাজ শুরু কে ছে কউক।কউকের সদস্য (প্রকৌশল) লে: কর্ণেল মোহাম্মদ আনোয়ার উল ইসলামের নির্দেশে গতকাল ৩ আগষ্ট বিকাল সাড়ে ৫ টায় শহরের আলীরজাহাল এলাকা থেকে একাজ শুরু হয়।চলবে আগামীকাল রাত পর্যন্ত। কউক সূত্রে জানা যায়, অবহেলিত সড়কটির দায়িত্ব কেউ না নিলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে পুরো সড়কে আপদকালিন সংস্কার কাজ কবরে তারা।একাজের কোনো বাজেট না থাকলেও নিজস্ব তহবিল থেকে ২ দিনের মধ্যে সংস্কার কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানান কর্তপক্ষ।জনসাধারনের কোনো সমস্যা না হয় এজন্য প্রতিদিন সন্ধ্যা হতে সারারাত পর্যন্ত চলবে সংস্কার কাজ।একাজের সরাসরি তদারকি করছেন কউকের প্রকৌশলী সালাহ উদ্দীন মাহমুদ,তারেকুল ইসলাম ও আব্দুল রকিব খাঁন। এদিকে, কউকের এমন মহৎ কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছে প্রধান সড়কে চলাচলরত যাত্রীরা।অনেকদিন পরে হলেও কউকের আপদকালিন ওই টেকসই কাজে যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি আসছে বলে জানান কয়েকজন পথচারি। এ ব্যাপারে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল) লে: কর্নেল মোহাম্মদ আনোয়ার উল ইসলাম জানান, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ হলিডে মোড়-বাজারঘাটা-লারপাড়া (বাস স্ট্যান্ড) প্রধান সড়ক সংস্কারসহ প্রশস্তকরণ প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে এবং ইতোমধ্যে একনেক সভায় অনুমোদন লাভ করেছে। খুব শীঘ্রই উক্ত প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। কিন্তু বর্তমান বর্ষা মৌসুমে উক্ত রাস্তার বিভিন্ন অংশে ভেঙ্গে যাওয়ায় জনগনের কথা বিবেচনা করে সড়কের সংস্কার কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান। কউকের পরিশ্রমী সৎ ওই দক্ষ কর্মকর্তা আরো বলেন,কয়েক মাসের মধ্যে শুরু হওয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে শহরের যানজট নিরসনের পাশাপাশি সৌন্দর্য অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে ।তাই যথাসময়ে মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য তিনি সকলের সার্বিক সহযোগিতা এবং দোয়া কামনা করেন। উল্লেখ্য যে, হলিডের মোড় থেকে খুরুশকুল রাস্তার মাথা পর্যন্ত ওই সড়ক হবে ৫০ ফুট চওড়া। খুরুশকুল রাস্তা থেকে হাশেমিয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত ৪৫ ফুট চওড়া সড়ক হবে এবং হাশেমিয়া থেকে লারপাড়া পর্যন্ত ১০০ফুট চওড়া হবে সড়কটি। ৫ দশমিক ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পে দু’পাশে থাকবে ফুটপাত। এছাড়া সড়কের মধ্যভাগে ডিভাইডার থাকবে। এই ডিভাইডারের মাঝে হবে সবুজায়ন। প্রধান সড়কের ব্যস্ততম তিনটি স্থানে রাস্তা পারাপারের জন্য থাকবে ফুটওভার ব্রীজ। দু’টি ফুটওভার হবে ৫০ ফুট দীর্ঘের। অন্য ফুটওভার ব্রীজটির দৈর্ঘ্য হবে ১০০ ফুটের। জলাবদ্ধতার সমস্যার কথা মাথায় রেখে সড়কের ড্রেনেজ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হবে। এছাড়া সড়ক বাতি স্থাপন (বিদ্যুতায়ন)করা হবে।নজরদারীর জন্য থাকবে সিসি ক্যামেরা ।

Leave a Reply

%d bloggers like this: