পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, রোহিঙ্গাদের উসকানি দিয়ে ভাসানচরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে বেশ কিছু মহল

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলছেন, কাউকেই জোর করে কোথাও পাঠানো হবে না। ডিবিসি নিউজে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।
ভাসানচরে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা খরচ করে রোহিঙ্গাদের জন্য আবাসন ব্যবস্থা করা হলেও সেখানে যেতে রাজি নয় তারা।
হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের আবাসন এবং কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু হয় ২০১৭ সালের নভেম্বরে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা। এরইমধ্যে ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে।
প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার রোহিঙ্গাকে সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা থমকে আছে রোহিঙ্গাদের আপত্তির মুখে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলছেন, কিছু বিদেশী দাতা সংস্থা এবং বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে না যেতে উস্কানি দিচ্ছে।
তিনি বলেন, তাদের মতে ভাসানচরে যাওয়ার জন্য নদীপথ ছাড়া আর কোন পথ নেই, তাই তারা নিয়মিত যোগাযোগ করতে পারবে না। পর্যাপ্ত যোগাযোগ ব্যবস্থাও নেই। কিন্তু ওরা সেখানে গেলেই যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক হয়ে যাবে। সেখানে গেলে তারা ভালো হোটেলে থাকতে পারবে না, তাই হয়তো তারা যেতে চাচ্ছে না।
একবার ভাসানচরে গেলে রোহিঙ্গারা স্বেচ্ছায় সেখানে যেতে চাইবে বলে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বলেন, সেখানে গেলে তারা যাতে মাছ চাষ, হাঁস-মুরগি, গরু ছাগল পালন এবং কৃষি কাজ করতে পারে সেসব ব্যবস্থাই করা হয়েছে। যাতে তারা অর্থনৈতিকভাবে সাবলম্বী হবে পারে। আমার মনে হয় তারা সেখানে একবার গেলে আর আসতে চাইবে না।
তিনি আরো বলেন, ওখানে যে সুন্দর সুন্দর বাড়ি ঘর তৈরি হয়েছে, সেখানে যদি বাংলাদের মানুষদের নিতে চাই তাহলে পরের দিনই বহু লোক সেখানে চলে যাবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: