বিদেশি ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষায় অজ্ঞান মশা, মরল না!

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। অথচ এখনো মশা নিধনের জন্য কার্যকর ওষুধ আনা সম্ভব হয়নি। তবে বসে নেই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এরই মধ্যে একটি বিদেশি ওষুধ সংগ্রহ করেছে তারা। তবে প্রয়োগের তিন ধাপে কয়েকটি টেস্টে উত্তীর্ণ হতে হবে নমুনা ওষুধকে।
শুক্রবার (২ আগস্ট) দুপুরে ডিএসসিসি’র নগর ভবনের বারান্দায় বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে ওই ওষুধের কার্যকারিতা পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্রথমে ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে দুই বর্গ স্কয়ার ফুটের তিনটি মশারির খাঁচায় ৫০টি করে মশা রাখা হয়। এরপর মাত্র এক হাত দূর থেকে এর চারপাশে একবার করে বিদেশি ওষুধটি ছিটানো হয়।
ফলাফলে দেখা যায়, মাত্র এক হাত দূর থেকে ফগিং (ছিটানো) করার পরও খাঁচায় থাকা মশাগুলো মরেনি। মাত্র ২৪ শতাংশ মশা অচেতন অবস্থায় থাকে। তিনটি খাঁচার প্রথমটি ৫০টি মশার মধ্যে ১৩টি, দ্বিতীয়টিতে ১৪টি এবং তৃতীয়টিতে ৯টি মশা জ্ঞান হারিয়ে পড়ে থাকে।
শনিবার (০৩ আগস্ট) আবার এই খাঁচাগুলো দেখার কথা ছিল। কয়টি মশা মরেছে তা গণনা করে যদি মৃতের সংখ্যা ৮০ শতাংশ হয় তাহলে ধরে নেয়া হবে এই ওষুধের মান ঠিক রয়েছে।
এটাই শেষ নয়, দ্বিতীয় পরীক্ষার জন্য ওষুধের নমুনাটি পাঠানো হবে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) ও খামার বাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরে। সেখানেও দুটি পরীক্ষায় ওষুধটি উত্তীর্ণ হলে তা ছিটানোর কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
তবে ওষুধটির প্রথম পরীক্ষার ফলাফলে সিটি করপোরেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা খুশি হতে পারেননি বলে জানা গেছে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: