৯ বছরের স্কুলছাত্রের সনদপত্রে লেখা ‘চরিত্রহীন’

বয়স মাত্র নয় বছর। বন্ধুত্বের পাশাপাশি সামান্য কারণে স্কুলে সহপাঠীদের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ার এটাই তো বয়স। কিন্তু স্কুল শিক্ষককে বোঝায় কে? তাই পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রের বেয়াদবির শাস্তি দিতে গিয়ে তাকে ‘চরিত্রহীন’ বলে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো মন্তব্য করে বসলেন উত্তর প্রদেশের গন্ডা জেলার এক স্কুল শিক্ষক।
শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ সেই ছাত্রের। তবে এখানেই শেষ নয়। ছাত্রের ট্রান্সফার সার্টিফিকেটেও রীতিমতো ‘চরিত্রহীন’ শব্দটি লিখে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো স্কুলে ভর্তি হতে না পারে ওই ছাত্র।
চরিত্র নিয়ে টানাটানি হওয়ার মতো কী দোষ করেছে ওই নয় বছরের নাবালক? সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, গত মাসে ক্লাসের কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া করে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রটি। নজরে আসতেই তাকে শাসাতে থাকেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষক। ঘটনার পরেই ছেলেটির অভিভাবক বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানান। কিন্তু তিনি অভিযোগে কর্ণপাতের প্রয়োজনই বোধ করেননি।
এর পরেই ছেলেকে সেই স্কুল ছাড়িয়ে নিয়ে আসার কথা জানান অভিভাবকরা। এবং সেই জন্য তাঁরা ট্রান্সফার সার্টিফিকেট চাইলে তখনই চারিত্রিক সনদপত্রে স্কুল কর্তৃপক্ষ লিখে দেয়, ছাত্রটি ‘চরিত্রহীন’!
ছাত্রটির পরিবারের অভিযোগ, শিক্ষকের আচরণের প্রতিবাদ জানানোর শাস্তি এটা। যাতে তাঁদের ছেলে অন্য কোনো স্কুলে ভর্তি হতে না পারে।

বয়স মাত্র নয় বছর। বন্ধুত্বের পাশাপাশি সামান্য কারণে স্কুলে সহপাঠীদের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ার এটাই তো বয়স। কিন্তু স্কুল শিক্ষককে বোঝায় কে? তাই পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রের বেয়াদবির শাস্তি দিতে গিয়ে তাকে ‘চরিত্রহীন’ বলে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো মন্তব্য করে বসলেন উত্তর প্রদেশের গন্ডা জেলার এক স্কুল শিক্ষক।
শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ সেই ছাত্রের। তবে এখানেই শেষ নয়। ছাত্রের ট্রান্সফার সার্টিফিকেটেও রীতিমতো ‘চরিত্রহীন’ শব্দটি লিখে দিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো স্কুলে ভর্তি হতে না পারে ওই ছাত্র।
চরিত্র নিয়ে টানাটানি হওয়ার মতো কী দোষ করেছে ওই নয় বছরের নাবালক? সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, গত মাসে ক্লাসের কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে ঝগড়া করে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওই ছাত্রটি। নজরে আসতেই তাকে শাসাতে থাকেন অভিযুক্ত ওই শিক্ষক। ঘটনার পরেই ছেলেটির অভিভাবক বিষয়টি অধ্যক্ষকে জানান। কিন্তু তিনি অভিযোগে কর্ণপাতের প্রয়োজনই বোধ করেননি।
এর পরেই ছেলেকে সেই স্কুল ছাড়িয়ে নিয়ে আসার কথা জানান অভিভাবকরা। এবং সেই জন্য তাঁরা ট্রান্সফার সার্টিফিকেট চাইলে তখনই চারিত্রিক সনদপত্রে স্কুল কর্তৃপক্ষ লিখে দেয়, ছাত্রটি ‘চরিত্রহীন’!
ছাত্রটির পরিবারের অভিযোগ, শিক্ষকের আচরণের প্রতিবাদ জানানোর শাস্তি এটা। যাতে তাঁদের ছেলে অন্য কোনো স্কুলে ভর্তি হতে না পারে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: