দেশের নদ-নদী-সমুদ্র উপকূলে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা

দেশের নদ-নদী এবং সমুদ্র উপকূলে চলছে মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা। পাশাপাশি মজুদ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণও বন্ধ থাকবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। এদিকে, অভিযান সফল করতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মৎস্য বিভাগ, কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ দল দায়িত্ব পালন করছেন। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সরকারি সহায়তা চেয়েছেন জেলেরা।
প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় দ্বিতীয় দিনের মতো চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায় অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। সকাল থেকেই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে জেলা প্রশাসক ও মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নদীতে টহল দিতে দেখা যায়। তবে সরকারের নির্দেশনা মেনে নদীতে জাল ফেলেননি জেলারা।
এক ব্যবসায়ী বলেন, এখানে অনেক মাছ কেনাবেচা হতো কিন্তু এখন দুদিন ধরে একদম সম্পূর্ণ নিষেধ। একটা মাছও এখানে পাবেন না।
ভোলার মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতেও জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে যৌথ অভিযান চালানো হয়। নদীতে মাছ না ধরায় বেকার সময় পার করছেন জেলেরা। আগামী দুই দিনের মধ্যে জেলেদের সরকারি সহায়তা দেয়অ হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।
ভোলার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক বলেন, আমাদের দিনে রাতে নানা রকম অভিযান চলবে। যারা আইন অমান্য করে মাছ ধরবে, ক্রয়-বিক্রয় করবে, মাছ পরিবহন করবে তাদরে বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মাছ ধরা থেকে বিরত রয়েছেন বরগুনার জেলেরা। নদী ও সমুদ্র উপকূলে জাল, দড়ি ও ট্রলার মেরামতে সময় পার করছেন তারা।
বরিশালের হিজলা উপজেলার বাউশিয়া নদী থেকে ৮ জেলেকে আটক করেছে নৌ পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তর। এসময় ১৫ লাখ বর্গ মিটার জাল ও ১টি ট্রলার জব্দ করা হয়। আটককৃত জেলেদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শরীয়তপুরে পদ্মা নদীতে আজও নৌকা ভাসাতে দেখা যায়নি জেলেদের। ইলিশ ধরা বন্ধ রয়েছে কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বাগেরহাটের বিভিন্ন নদ-নদীতেও।

Leave a Reply

%d bloggers like this: