টাকার জোরে বনবিভাগের নার্সারির চলাচলের পথের জমিতে পাকা বাড়ি নির্মান অব্যাহত

Stay Home. Stay Safe. Save Lives.
#COVID19

শতবছরের মাদার ট্রি কেটে নেয়ার আশংকা
মাজেদুল হক চৌধুরী:: টাকার জোরে দক্ষিণ বনবিভাগের জমিতে পাকা বাড়ি নির্মান অব্যাহত রেখেছে চিহ্নিত ভুমিদস্যু সদরের ছনখোলা এলাকার মোঃ আক্তার (প্রকাশ আক্তার মেম্বার)।এতে বনবিভাগের শতবছরের মাদার ট্রি কেটে নেয়ার আশংকা করছেন এলাকাবাসি।কারণ নির্মানাধিন অবৈধ পাকাবাড়ির ভিতরে ওই লক্ষ টাকা মূল্যের গাছটি রয়েছে।খাস জমিতে প্রকাশ্যে রাতদিন পাকা নির্মান করলেও প্রশাসনের নজর নেই।তবে এলাকাবাসি জানিয়েছে বনবিভাগসহ প্রশাসনকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে বনবিভাগের নার্সারির চলাচলের পথের জায়গা দখল করে মোঃ আক্তার (প্রকাশ আক্তার মেম্বার) পাকা বাড়ি নির্মান করছে।

জানা যায়, বনবিভাগের জায়গা অবৈধ পন্থায় দখল করে অবৈধভাবে বাড়ি নির্মান করছে সদরের ছনখোলা এলাকার মোঃ আক্তার (প্রকাশ আক্তার মেম্বার)। বনবিভাগের গাছ থাকা সত্তে¦ও প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বহাল তবিয়তে বাড়ি নির্মান করে যাচ্ছে আক্তার মেম্বার। শুধু তাই নয় বিএনপি পন্থী এই নেতা জোট সরকারের আমলে এলাকার নিরীহ ও শান্তিপ্রিয় মানুষকে হুমকি ধমকি দিতেন এবং এলাকার অধিকাংশ জায়গা তার বলে দাবি করতেন। অথচ এলাকার কোন বৈধ বা রেজিস্টার কোন কাগজপত্র বসবাসরত কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে নেই। এখানকার সব জায়গা বন বিভাগের আওতাধীন ও নামীয়। বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ও চিহ্নিত ভূমিদস্যু হয়েও খাস জায়গার উপর অবৈধ বাড়ি নির্মান করার দুঃসাহস নিয়ে এলাকাবাসির মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
এলাকার এক ব্যক্তি নাম গোপন রাখার শর্তে জানান,বনবিভাগের নার্সারির চলাচলের পথের জায়গায় বাড়ি নির্মান করে যাচ্ছে আক্তার মেম্বার। পাশাপাশি শত বছরের গাছও কর্তন করার পায়ঁতারা করছে ওই ব্যক্তি।এছাড়া বাড়ি নির্মানের জন্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বা বন বিভাগ কিংবা কক্সবাজার পৌরসভা হতে অথবা অন্য কোন কোনরুপ অনুমতি গ্রহণ করেননি ।
এই ব্যাপারে জানতে আক্তার মেম্বারের ব্যক্তিগত ফোনে কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

Leave a Reply

Stay Home. Stay Safe. Save Lives.
#COVID19

%d bloggers like this: