কক্সবাজার কতটুকু প্রস্তুত করোনা মোকাবেলায়

তানভিরুল মিরাজ রিপন

কক্সবাজারে করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর থেকেই প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন।জনসমাগম প্রতিরোধে যৌথবাহিনীর টহল চলছে নিয়মিত, প্রশাসনের নজরদারিতে আছে পর্যটন স্পটগুলো। স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুতি বাড়িয়েছে। বিভিন্ন ওয়ার্ডে রোগী ভর্তি না নিয়ে জরুরী সেবা দেওয়ার জন্যই প্রস্তুত আছে জরুরী বিভাগ।

কক্সবাজারের করোনা রোগীদের জন্য ১০০ শয্যার ব্যবস্থা করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। রামুতে ৫০ এবং চকরিয়ায় ৫০ শয্যার বরাদ্দ রেখেই হাসপাতাল গুলো আপাতত প্রস্তুত করোনা মোকাবেলায়। করোনা রোগী বহন করতে যে অ্যাম্বুলেন্সের দরকার তা জেলা সদর হাসপাতালে নেই। তবে অত্যাধুনিক অ্যাম্বুলেন্স সেবা দিতে প্রস্তুত আইমও এনজিও। জেলার কোনো করোনা রোগী ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট ( আইসিইউ) সুবিধা পাবে না বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে দ্বায়িত্বরত আবাসিক মেডিকেল অফিসার৷ তিনি আরও জানান, জেলা সদর হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীর জন্য ১০টি বেড নিয়ে প্রস্তুত করোনা ওয়ার্ড। এ পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় করোনা সন্দেহে ৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা আইইডিসিআর এ পাঠানো হয়েছিল। এতে মাত্র একজনের কভিড১৯ পজিটিভ পাওয়া যায় এবং বাকি ছয়জনের নেগেটিভ ফলাফল আসে। কক্সবাজারে একজন ল্যাব স্পেশালিষ্ট ফোনকলের ভিত্তিতে বাড়ি গিয়েই সাত জনের নমুনা সংগ্রহ করেছিলো। ডাক্তার এবং নার্সদের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পিপিইসহ আরও নিরাপত্তা সামগ্রী দিয়েছেন।

তিনি আরও জানান,আগামী দশদিন করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বাড়ার শংকা রয়েছে। তাই সবাইকে ঘরে ও নিরাপদে অবস্থান। কভিড ১৯ প্রতিরোধে সাবান দিয়ে হাত ধোয়া,মাস্ক পড়া,নিরাপদ দূরত্বে মেনে চলা সহ স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার৷

এদিকে জেলা প্রশাসকের কড়া সতর্ক বার্তাও রয়েছে জেলায় অবস্থানরত সকলের জন্য। জেলা প্রশাসক বলেন, প্রয়োজনে খাবারের জন্য হটলাইন নম্বর গুলোতে কল দিলেই খাবার বাড়ি পৌছে দেওয়া হবে। এরপরও যেনো বাড়ি থেকে বের না হয় কেউ আগামী দশদিন।

Leave a Reply

%d bloggers like this: