পিএমখালীতে ইয়াবা ব্যাবসায়ী ও ডাকাত হুমায়ূনকে গণধোলাই,জনমনে স্বস্তি

Stay Home. Stay Safe. Save Lives.
#COVID19


নিজস্ব প্রতিনিধি: কক্সবাজার সদর উপজেলার পিএমখালী ইউনিয়নে মাছুয়াখালী বাজারে ঘটনাটি ঘটেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। গত ৪জুলাই সন্ধ্যায় মাছুয়াখালী বাজারে স্থানীয় সচেতন মহল ও মুসল্লিদের হাতে সে গণধোলাইয়ের শিকার হয়। হুমায়ুন পিএমখালী ইউনিয়নের ধাওনখালী গ্রামের কবির আহমদের ছেলে বলে জানা গেছে।
একাধিক মামলার আসামী ও পিএমখালী ইউনিয়ন এবং সদর উপজেলার তালিকাভুক্ত চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী সে। দীর্ঘ দিন ধরে ইয়াবা মামলার জেল খেটে বের হয়ে ফের শুরু করে অবৈধ ইয়াবা ট্যাবলেটের ব্যবসা। তারই ধারাবাহিকতায় ইয়াবা চালান দিতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয় সে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একাধিক ইয়াবা ও ডাকাতি এবং অস্ত্র মামলার আসামী হুমায়ূন ইয়াবা চালান দিতে অবস্থান করছিল মাছুয়াখালী বাজারে। দীর্ঘদিন ধরে তাকে সতর্ক করে দেওয়া স্থানীয় সচেতন মহল ও মুসল্লিগনের নজরে আসে সে। সচেতন মহল ও মুসল্লিগন তাকে অবৈধ ব্যবসা থেকে বিরত থাকতে বারন করে আসছি্ বার বার। কিন্তু সে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে মুরব্বিদের উপর ফুঁসে উঠে হুমকি ধমকি দিতে থাকে। এক পর্যায়ে উপস্থিত সাধারন জনগন সহ সবাই মিলে থাকে উত্তম মাধ্যম দেওয়া শুরু করলে সে পালিয়ে বাচে। তাকে মারধরের পর ইউনিয়ন জুড়ে জনমনে স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান প্রত্যক্ষ্যদর্শীরা।
খবর নিয়ে জানা যায়, হুমায়ূন দীর্ঘ বছর ধরে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছিল ইউনিয়ন জুড়ে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সে এমন কোন অপরাধ নেই যা করেনি। তার উপর দীর্ঘদিনের ক্ষোভ কাজ করছিল সর্বস্তরের মানুষের।
আরো খবর নিয়ে জানা যায়, হুমায়ূনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশ মারধরের মামলাও রয়েছে। যার মামলা নং ১০৪/২০১৯, এবং
ইয়াবা মামলা নং ৪৭/২০১৯। এছাড়াও ধারালো অস্ত্র দিয়ে গ্রাম্য ডাক্তার হারুন অর রশীদের বাড়িতে হামলা ও হুমকির বিরুদ্ধে মামলা হয় তার বিরুদ্ধে, যার মামলা নং জিআর ৪২৩/২০১৯।
তার বিরুদ্ধে আরো জানা যায়,পিএমখালী মুহসিনিয়া পাড়ার জাশেদ কামাল নামের একজন ব্যক্তি সন্ত্রাসী হুমায়ূনের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কক্সবাজার সদর মডেল থানায়। যার অভিযোগ পত্রের কপি প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় মেম্বারের কাছে তার বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে। এলাকায় সে ওপেন অস্ত্র নিয়ে চলাফেরা করে তাই কেউ ভয়ে মুখ খোলেনা। সে দিন দিন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। তার এই ভয়ঙ্কর চিত্রের প্রতিফল ঘটে গতকাল সন্ধ্যায় গনধোলাইয়ের মাধ্যমে।
এই ব্যাপারে ৮নং পিএমখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাষ্টার আব্দুর রহিম কে মুঠোফোনে পাওয়া যায়নি। তাই বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
পিএমখালী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা জানান, হুমায়ূনের বিরুদ্ধে অনেকদিন ধরে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সে অস্ত্রের মুখে জিম্মী করে আওয়ামীলীগের বিভিন্ন নেতাকর্মী ও সাধারন জনগনকে অত্যাচার করে আসছিল। আমরা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। উক্ত ঘটনার মূল যেন অন্য খাতে নিয়ে আসল অপরাধি ডাকাত হুমায়ূন যেন পার না পায়। এই রকম চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী ও ডাকাতকে আইনের আওতায় আনা হউক। তাহলেই সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি। সেই সাথে পিএমখালীর মানুষ একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারবে।

Leave a Reply

Stay Home. Stay Safe. Save Lives.
#COVID19

%d bloggers like this: