ফাটল লালগোলাপ কমিউনিটি সেন্টারের মালিক একযুগেও দেননি আয়কর!!

Stay Home. Stay Safe. Save Lives.
#COVID19

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চলতি বর্ষায় ভারী বর্ষণে যে কোন সময় ভেঙে পড়তে পারে কক্সবাজার সদরের খরুলিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ লাল গোলাপ কমিউনিটি সেন্টারের নাম ভবনটি।এমন আশংঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে কক্সবাজার পৌরসভার নবনির্মিত একটি সেতু বৃষ্টির পানিতে ভেসে যায়।এ কারণে লালগোলাপ ভবনও বৃষ্টিতে ভেঙে পড়তে পারে ভেবে আতংঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে স্থানীয়দের মাঝে।

এর আগে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ফেলতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল সেখানকার সচেতন নাগরিকরা।

জানা যায়,সম্প্রতি ভবনটির ভিতরে ব্যাপক ফাটল দেখা দিয়েছে।যে কোনসময় ভবনটি ধসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। তাই ভবনটির আশেপাশে বসবাসকারী স্থানীয়দের মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠায় স্থানীয়রা হতাহত হবার আগে ভবনটি ভেঙে পুনারায় নির্মাণের দাবি জানিয়েছে।
ফাটল যাদে মানুষের চোখে না পড়ে সে জন্য গোপনে ফাটল স্থান গুলো সংস্কার করছে ভবনটির মালিক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,কমিউনিটি সেন্টারটি তে
পুরো বছর জুড়ে বিয়ে,গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান,পার্টিসহ অনান্য সমাজিক অনুষ্ঠান চলে।বর্তমান করোনাকালীন সময় ভবনটিতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কর্মরত এনজিও সংস্থা মালামাল প্যাকেটসহ বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে চলছে।

স্থনীয়রা জানান,ইট দিয়ে কোনরকম বসবাসের জন্য টিনসিট করে ঘর হিসেবে প্রস্তুত করেছিলেন মালিক নাজির হোসেন।পরে কোন ফাউন্ডেশন ও পর্যাপ্ত রড় ব্যবহার না করে বহুলত ভবন হিসেবে গড়ে তোলা হয়।বর্তমানরে ভবনটি বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এ কারণে ভবনটি যে কোনসময় ভেঙে মানুষ হতাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মালিক পক্ষ স্থানীয়দের কোন কথায় শুনছে না বলে দাবি করে প্রশসানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে তাঁরা। স্থানীয়রা বলছে, যার জায়গা সে ১০০তলা ভবন করুক,আমাদের আপত্তি নেই।কিন্তু ঝুঁকিপূর্ণ ভবন তুলে সাধরণ মানুষকে অনিরাপদ করার অধিকার কারোই নেই। তাই তদন্ত ভবনটি ভেঙে ফেলতে সংশ্লিষ্টদ প্রশাসনকে অনুরোধ জানান স্থানীয়রা।

এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে পশু জবাই করে কিন্তু বর্জ্য অপসারণ ব্যবস্থা নাই।যার কারণে পশুর বর্জ্যের দুর্গন্ধে আশপাশের মানুষ আগে থেকে অতিষ্ঠ।এতে করে অতিথে অনেকই নানান রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে দাবি সচেতন মহলের।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কয়েকজন জানান,ভবনটির মালিক কারোই কথা শুনছে না।তাই দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশসানকে এগিয়ে আসার অনুরোধ তাঁদের।

ভবনটি নিয়ে উঠা অভিযোগের সত্যতা মিলেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোতে। লালগোলাপ ভবনটি নির্মাণে পরিবেশ অধিদফতর কোন ছাড়পত্র নেয়া হয়নি,এমন কি অবেদনও করা হয়নি। অায়কর অফিস, ইনকাম ট্যাক্সের কোনো রির্টান জমা করেনি ভবনটির মালিক। ফলে একটি টাকাও সরকারি কোষাগারে জমা দেননি মালিক।

এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে ভবনটির মালিক নাজির হোসেন কোন উত্তর না দিয়ে তথ্য প্রদানকারীদের তথ্য জানতে চান তাঁদের দেখে নেয়ার জন্য।

বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলো।

Leave a Reply

Stay Home. Stay Safe. Save Lives.
#COVID19

%d bloggers like this: