দালাল শিমুলের বিরুদ্ধে মামলার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ!

ঈদগাও প্রতিনিধি:

কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদ ইউনিয়নের আউলিয়াবাদের সৈয়দ আলম শিমুল। পেশায় একজন ড্রাইভার হলেও তার নিত্যদিনের রুটিনের কাজ হচ্ছে পুলিশ ও পাসপোর্টের দালালী করা। স্থানীয় কেউ পাসপোর্ট না করলে বাংলাদেশীকে রোহিঙ্গা বলে সুকৌশলে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট পৌঁছে দেয়। কেউ তার এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে কথা বললে নামে বেনামে বিভিন্ন দপ্তরে সরাসরি বা বাই পোষ্টে অভিযোগ পাঠিয়ে হয়রানি করার অভিযোগও রয়েছে। এভাবে রয়েছে তার বিরুদ্ধে নানা হয়রানি ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ।

সম্প্রতি লকডাউনের কারণে পাসপোর্ট কার্যক্রম বন্ধ থাকায় দালালীর নতুন কর্মস্থল বেচে নিয়েছে মডেল থানার আশপাশের এলাকা, সদর হাসপাতাল ও ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সামনের বিভিন্ন দোকান। স্থানীয় কোন লোকজন আইনের আশ্রয় নিতে যেতে দেখলেই বিভিন্ন কু প্রস্তাব ও পরামর্শ দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।

গত কিছুদিন আগে গজালিয়া রাজঘাটের -মোরশেদ আলমের স্ত্রী জোবাইরা বেগম তার খপ্পরে পড়ে দিশেহারা। মামলার নামে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিলেও সদর থানায় গিয়ে করিয়েছে অভিযোগ। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট মহিলা তাকে ঈদগাঁও তদন্ত কেন্দ্রের এসআই ইমরানকে মৌখিক নালিশ করলে ঐ কর্মকর্তা দুই হাজার টাকা উদ্ধার করে দেন বলে মহিলা জানান। বাকী টাকা খোজলে উল্টা পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলে মহিলা জানান।

এদিকে অভিযোগ উঠা দালাল শিমুলের সাথে কথা বললে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন এস আই এমরানের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা দিয়ে আপোষ মিমাংসা হয়ে গেছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, এত কিছুর পরও কিভাবে একজন চিহ্নিত দালালের পুলিশ কর্মকর্তাদের চায়ের আড্ডায়। এলাকাবাসী ঈদগাহ পুলিশ তদন্তকেন্দ্রকে দালালমুক্ত করার দাবী জানান।

Leave a Reply

%d bloggers like this: