৬ মাস বাড়ল খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ

Stay Home. Stay Safe. Save Lives.
#COVID19

২ মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়িয়েছে সরকার। ফলে আরও ৬ মাস তিনি গুলশানের বাসা ফিরোজাতেই থাকার সুযোগ পাচ্ছেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বেগম জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর আবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, খালেদা জিয়ার আরও ৬ মাস ‍মুক্তির ক্ষেত্রে আগে যেসব শর্ত ছিলো সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বাড়াতে সম্প্রতি তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আবেদন করা হয়।
বিএনপি চেয়ারপারসনের সাময়িক মুক্তির মেয়াদ বৃদ্ধির বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানতে চাইলে গত ৩১ আগস্ট আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘দরখাস্তে কী লিখেছেন সেটি আমি এখনও জানি না। সেক্ষেত্রে আমি কী বিবেচনা করবো দরখাস্ত না দেখে! কথা বলাটা আমার ঠিক হবে?’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়াকে যখন ৬ মাস আগে একবার প্রধানমন্ত্রী মানবিক কারণে মুক্তি দিয়েছিলেন, ৬ মাসের জন্য… আমরা তাঁর স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনা করে দরখাস্তে কী লেখা আছে সেসব বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো।’
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট- এই দুই মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কারাভোগ করছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। এর মধ্যে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গেল বছরের এপ্রিলে তাঁকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এরপর থেকে গত প্রায় ১১ মাস ধরে সেখানেই কারা নজরদারিতে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।
দীর্ঘ ২ বছর ১ মাস ১৯ দিন কারাভোগের পর সরকারের নির্বাহী আদেশে ৬ মাসের সাজা স্থগিতাদেশ নিয়ে গত ২৫ মার্চ বিকেলে বিএসএমএমইউ থেকে মুক্তি পান ২ মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। এরপর থেকে তিনি গুলশানের বাসা ‘ফিরোজাতে’ রয়েছেন।
বেগম জিয়া আর্থারাইটিসের ব্যথা, ডায়াবেটিস, চোখের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত নানা সমস্যায় ভুগছেন। তাঁর ৬ মাসের সাজার স্থগিতাদেশ শেষ হবে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। তবে তার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সায়ে দ্বিতীয় দফায় বেগম জিয়ার মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।
জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা ছাড়াও বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে আরও প্রায় ৩৪টি মামলা রয়েছে। যার অধিকাংশই ১/১১ সরকারের সময়কালে দায়ের করা।

Leave a Reply

Stay Home. Stay Safe. Save Lives.
#COVID19

%d bloggers like this: