কিশোর গ্যাং মারাত্মক আকার ধারণ করেছে


অতিথি কলাম,মিজানুর রহমানঃ

অপরাধী চক্র কিশোর /তরুণ শিক্ষার্থীদের অবসরকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন এলাকায় মাদকসহ নানা অপরাধে জড়িত করার সম্ভাবনা।

৮/১০ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিক প্রচন্ড প্রেসারে আছি, অনেকটা অসুস্থ ও বটে!! আজ স্কুলে বসে বসে ভাবছিলাম, হঠাৎ একজন অষ্টম শ্রেণির ছাত্রের অভিভাবক খুব হতাশ গলায় সালাম দিয়ে বসতে বলার আগেই কথা শুরু করলেন, আমার ছেলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে,
কারও কথা শুনে না,পড়ার টেবিল তো বসেই না, সারাদিন বন্ধুদের সাথে কোথায় চলে যায়, রাতে দেরী করে বাসায় ফিরে কিছু বললে রাগ দেখায়।

স্যার সহ্য হচ্ছে না কিছু একটা করেন, পারলে আপনার সাথে রেখে দেন,যতটাকা লাগে দেব।

উনি উনার সন্তান নিয়ে যে রকম অসুবিধায় আমরা সব শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আরও বেশি শঙ্কায়।
কোটি কোটি ছেলেমেয়ে সময় কাটানোর প্রপার সুযোগ না পেয়ে বিপথগামী হওয়ার সম্ভাবনা খুবই বেশি।
মোবাইলে অশ্লীলতার স্রোতে ভাসিয়ে যাচ্ছে অধিকাংশ তরুণ প্রজন্ম,
এলাকার অপরাধী চক্র মাদকসহ নানা অপরাধে শিক্ষার্থীদের জড়িয়ে তাদের জীবন ধ্বংস করার হীন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
কিশোর গ্যাং মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কিশোর, তরুণদের সবচেয়ে বেশী।

কতৃপক্ষের প্রতি বিনীত অনুরোধ করব – অন্তত শিক্ষার্থীদের কিশোর গ্যাং ও অপরাধ হতে বাঁচানোর জন্য কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করুন, না হলে এদেরকে পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে আনা খুব কঠিন হবে।
অনেকের শিক্ষা জীবনের যবনিকা ঘটতে পারে।

তাই, সপ্তাহে ২/১ দিন হলেও স্কুলের সাথে যোগাযোগ করার বা ক্লাসে যাওয়া আসার ব্যবস্থা করে তাদেরকে কিছুটা হলেও পড়াশোনায় এনগেজ রাখা অবশ্যই উচিত।
অটো পাস,অটো নাম্বার ভবিষ্যতের জন্য খুব খারাপ প্রভাব দেখা দিতে পারে, যা করবোনার চেয়ে আরও মারাত্মক হয়ে আগামী প্রজম্মকে একেবারে নিঃশেষ করে দেওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে।

মিজানুর রহমান-অধ্যক্ষ-আইডিয়াল স্কুল এ্যান্ড কলেজ,বাংলাবাজার সদর কক্সবাজার।

Leave a Reply

%d bloggers like this: