1. editor.barta52@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. kamrancox@gmail.com : Amirul Islam Md Rashed : Amirul Islam Md Rashed

নুনিয়ার ছড়ায় বাঁকখালী নদী দখল- ভরাটের প্রতিযোগীতা: নীরব প্রশাসন!

  • Update Time : শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১
  • ১৫ Time View

 

বিশেষ প্রতিবেদন:

কক্সবাজার শহরের নুনিয়ার ছড়া এলাকায় প্রতিযোগীতা করে বাঁকখালী নদী ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করছে দখলদাররা। সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নাকের ডগায় ঐতিহ্যবাহী নদীটা চোখের সামনে দখল হয়ে গেলেও রহস্যময় কারনে নীরব প্রশাসন।

সরজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, মধ্যম নুনিয়ার ছড়া এলাকায় একাধিক পয়েন্টে নদী ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা করা হচ্ছে। নুুরুল হকের ছেলে সেলিম কোম্পানি নামের এক ব্যাক্তি এলাকায় প্রায় দুই একর মত নদী ভরাট করে ফেলেছেন।বর্তমানে সেখানে স্থাপনা নির্মানের কাজও চলছে পুরোদমে।

একইভাবে নুনিয়াছড়া এলাকায় কমপক্ষে ২০ পয়েন্টে বাকঁখালী নদী ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।

অভিযোগ আছে, সংশ্লিষ্টে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে দিবালোকে নদী ভরাট করে দখলে নিচ্ছে দখলদাররা। এ কারনে দখলদারদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়না প্রশাসন।যদিও সংশ্লিরা প্রশাসন বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

মধ্যম নুনিয়ার ছড়ার স্থানীয় ফারুক নামের একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী অভিযোগ করে বলেন, বাঁকখালী নদী দখলদাররা এত বেশি বেপরোয়া হয়েগেছে যে এখন নদী পাড়ের অসহায় মানুষের বসতবাড়িও তারা দখলে নিতে চাইছে। তিনি বলেন,গত ৫০বছর ধরে আমরা নদী পাড়ে স্ব-পরিবারের বসবাস করে আসছি।

কিন্তুু হঠাৎ নদী দখলদাররা আমার বাড়ির পেছনের ভিটার জায়গাটা দখলে নেওয়ার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। সম্প্রতি ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে একদল সন্ত্রাসী আমাকে হুমকি দিয়েগেছে।বেশি বাড়াবাড়ি করলে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হবে বলে হুমকি দিয়েগেছে।এতে করে আমি এবং আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

তবে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ফারুকের অভিযোগের বিষয়টা জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতারা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

মধ্যম নুনিয়ার ছড়ার এলাকার আমানউল্লা, টিপু ও সাইফুলসহ আরও কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন,মধ্যম নুনিয়ার ছড়ায় নদী দখলদাররা রাতদিন নদী ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণ করলেও প্রশাসন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না।তারা এখন মানুষের ভিটে-বাড়ীর জায়গাও দখল করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে।তাদের দাবি প্রশাসন আসাধু কর্মকর্তারা টাকা খেয়ে নীরবতা পালন করছে।

জানতে চাইলে, নদী দখলদার সেলিম দাবি করেন, তিনি যে অংশটা ভরাট করেছেন তা খতিয়ানভুক্ত জমি। তিনি গত ১২বছর আগে একজনের কাছ থেকে কিনে নিয়েছেন। নদী ক্রয়-বিক্রয় করা যায় কিনা এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে না পারলেও জোর গলায় নদী ভরাটের পক্ষে যুক্তি দেন তিনি।

এ বিষয়ে কক্সবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার সুইটি বলেন, নদী ভরাটের বিষয়টা এর আগে আমাকে কেউ জানায়নি। বিষয়টা সত্য হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।নদী কখনো কারো মালিকানাধীন জায়গা হতে পারে না জানিয়ে প্রশাসনের কেউ যদি দখলদারদের সহযোগীতা করেছে এমন প্রমাণ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক নামসংযুক্তা দাশ বলেন, নুনিয়ার ছড়া এলাকায় নদী দখল বা ভরাটের বিষয়টা আপনার মাধ্যমে জেনেছি।এ বিষয়ে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তিনি বলেন,নদী দখলদারদের কাছ এ থেকে পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন কর্মকর্তা টাকা খেয়েছে এমন অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....
© All rights reserved Samudrakantha © 2019
Site Customized By Shahi Kamran