1. editor.barta52@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. kamrancox@gmail.com : Amirul Islam Md Rashed : Amirul Islam Md Rashed
সদ্য পাওয়া :
রামুতে ছুরিকাঘাতে ইউপি সদস্যসহ আহত ২ কুতুবদিয়ায় মটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ৩ ছাত্র টেকনাফ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিয়ন ২০ হাজার ইয়াবা সহ আটক চকরিয়া পৌর নির্বাচনঃ ভোটারদের মাঝে আগ্রহ যেমন বেড়েছে, তেমনি আতঙ্কও ১১ বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিস্কার করলো কক্সবাজার আওয়ামী লীগ পরীমণির হাতে অশ্লীল বার্তা, পর্ণগ্রাফি আইনে যে অপরাধ ও শাস্তি অশ্লীল ভিডিও ভাইরাল, আ.লীগ নেতা চিত্ত রঞ্জন বহিষ্কার মাতারাড়ি বিদ্যুৎ প্রকল্প : পুনর্বাসন তালিকায় নাম উঠলেও ঘর জুটেনি পালানোর সময় ব্যাগভর্তি ইয়াবাসহ কোস্ট গার্ডের হাতে আটক ১ চকরিয়া পৌর নির্বাচন ঘিরে হয়রানি মামলা! জিয়াবুল হক সমর্থকদের সাংবাদিক সম্মেলন

টেকনাফের নয়াপাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গাদের হামলায় এপিবিএনের ১২ সদস্য আহত

  • Update Time : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৪ Time View

কক্সবাজারের টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রেশন কার্ড নিয়ে রোহিঙ্গাদের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর হামলা চালায় রোহিঙ্গারা। এতে এপিবিএনের ১২ সদস্য আহত হয়েছেন। রবিবার (১ আগস্ট) দুপুরে এই ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএনের অধিনায়ক এসপি মো. তারিকুল ইসলাম।
এক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার দুপুরে তিনি জানান, এই ক্যাম্পে ১৯৯২ ও ২০১৭ সালে আসা রোহিঙ্গাদের এবং নতুন আসা রোহিঙ্গাদের ফুড কার্ডে খাবারের পরিমাণে ভিন্নতা ছিল।
জানা গেছে, রেশন কার্ড নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে টেকনাফের নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী শিবিরের রোহিঙ্গাদের মাঝে। গত একমাস ধরে রেশন নিতেও আসেনি তারা। আজ রবিবার সকাল থেকে ক্যাম্পে বিক্ষোভ শুরু করে তারা। দুপুরে বিভিন্ন ব্লকে চলমান বিক্ষোভ ঠেকাতে রোহিঙ্গাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। কিন্তু উল্টো রোহিঙ্গারা এপিবিএন সদস্যদের লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল ছোড়ে।
কক্সবাজার ১৬ আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এসপি তারিকুল ইসলাম বলেন, সকাল থেকে বিক্ষোভ শুরু করে রোহিঙ্গারা। বিক্ষোভকারীদের শান্ত করতে গেলে এপিবিএনের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে আমাদের ১২ সদস্য আহত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৫ রাউন্ড ফাঁকা গুলিবর্ষণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মূলত এসব রোহিঙ্গারা ১৯৯২ সালে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসে। তারপর তাদের শরণার্থী হিসেবে নিবন্ধন করে সরকার। এরপর নানা ভাবে তাদের সহযোগীতা দিত বিভিন্ন সংস্থা বা সরকার।
আগে আসা রোহিঙ্গাদের দাবি, পুরোনো ও নবাগতদের একই ফুড কার্ড দিয়ে তাদের মর্যাদা সমান করে দেয়া হয়েছে, যা তারা কোনোভাবেই মেনে নেবে না।
সমতা রক্ষায় শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশন (আরআরআরসি) এবং জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশন (ইউএনএইচসিআর) কর্তৃপক্ষও তাদের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে এ ক্যাম্পে আগে আসা রোহিঙ্গাদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছিল।
২০১৩ সাল থেকে জাতিসংঘের ‘বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি’ (ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম বা ডব্লিউএফপি) তাদের খাদ্যসহায়তা দিয়ে আসছে। এজন্য ডব্লিউএফপির কর্মকর্তারা আলাদা করে তালিকা করেন নিবন্ধিতদের। কিন্তু চলতি জুলাই মাসের শুরু থেকে পুরোনো রোহিঙ্গাদের খাদ্যসহায়তার কার্ড নিয়ে নেয় সংস্থাটি। ২০১৭ সালে আসা নতুন রোহিঙ্গাদের সঙ্গে তাদের সংযুক্ত করে আবার কার্ড বিতরণ করা হয়। কিন্তু সে কার্ড নিয়ে আপত্তি জানিয়ে এক মাস ধরে রেশন নিচ্ছে না পুরোনো রোহিঙ্গারা।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....
© All rights reserved Samudrakantha © 2019
Site Customized By Shahi Kamran