1. editor.barta52@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. kamrancox@gmail.com : Amirul Islam Md Rashed : Amirul Islam Md Rashed

গোপনে চীনের সমর্থন পাচ্ছে তালেবান!

  • Update Time : সোমবার, ৯ আগস্ট, ২০২১
  • ৩৮ Time View

উইঘুর মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদীদের দমনে সহযোগিতার বিনিময়ে আফগানিস্তানে তালেবানকে গোপনে সমর্থন দিচ্ছে চীন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি মিরর এক প্রতিবেদনে এই দাবি করেছে।
আফগানিস্তানে ২০ বছর যুদ্ধের পর দেশটি থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এরইমধ্যে ৯০ শতাংশ মার্কিন ও বিদেশি সেনা চলে গেছে। ৩১ আগস্টের মধ্যে অবশিষ্ট সেনা প্রত্যাহার চূড়ান্ত হবে। এমন পরিস্থিতিতে আফগানিস্তানের সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে তালেবান। রবিবার কুন্দুজ প্রদেশের রাজধানী কুন্দুজের নিয়ন্ত্রণ নেয় দলটি। এ নিয়ে গত তিন দিনে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি প্রাদেশিক রাজধানীর নিয়ন্ত্রণ নিতে সমর্থ হয়েছে দলটি।
পশ্চিমা সূত্রের বরাতে দ্য মিরর-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, অস্ত্র ও সরঞ্জাম কিনতে অর্থের বিনিময়ে তালেবান প্রতিবেশী উইঘুর গোষ্ঠীটিকে এড়িয়ে চলছে। অথচ আগে এদের অস্ত্র দিয়ে সহযোগিতা করেছে তালেবান।
রাশিয়া, পাকিস্তান ও চীন ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীদের সমর্থন তালেবানকে আফগানিস্তান নিয়ন্ত্রণ করতে অনেক এগিয়ে দিয়েছে। এই সমর্থনের বিনিময়ে চীন আফগানিস্তানের খনিজ সম্পদ ও দেশটির মধ্য দিয়ে বাণিজ্য পরিচালনা করতে চায়।
এছাড়া চীন প্রত্যাশা করছে, আফগানিস্তানে তালেবান উত্থান ৯/১১-এর মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানে ন্যাটো বাহিনীর যেকোনও অর্জনকে ধূলিসাৎ করবে।
পশ্চিমা একটি গোয়েন্দা সূত্র ডেইলি মিররকে বলেছে, ভবিষ্যতে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মোকাবিলায় সহযোগিতার আশ্বাসে চীন তালেবানকে সমর্থন জানাচ্ছে। তালেবানকে সহযোগিতার পেছনে আগামীতে জাতিগত উইঘুরদের দমনের চুক্তির বড় ভূমিকা রয়েছে।
পশ্চিমা গোয়েন্দা সূত্র আরও জানায়, ১৯৯০-এর দশকে উইঘুর জিহাদিদের সঙ্গে তালেবান একাধিক অস্ত্রচুক্তি করেছিল। কিন্তু এবার আর্থিক সহযোগিতার বিনিময়ে তা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠীটি।
সূত্রমতে, আফগানিস্তানে চীনের অনেক স্বার্থ রয়েছে। প্রাথমিকভাবে তালেবান দ্বারা উইঘুরদের নিষিদ্ধ ঘোষণা করে নিজেদের নিরাপত্তা সুরক্ষা করা। সুন্নি হিসেবে তালেবানের জন্য এটি সহজ ছিল না। কিন্তু তারা বাস্তবতা বুঝে এবং আগামীতে আফগানিস্তানের চীনের বড় ধরনের বাণিজ্যিক স্বার্থ রয়েছে। এমনকি তালেবান পুনর্র্নিমাণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণে নগদ বিনিয়োগের প্রত্যাশা করছে।
এছাড়া পশ্চিমাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় এমন যেকোনও সশস্ত্র উত্থানকে সহযোগিতা করার বিষয়টি তো রয়েছেই।
আফগানিস্তানে প্রায় সাড়ে তিন হাজার উইঘুর মুসলিম অবস্থান করছেন। আশপাশের দেশগুলোতে আরও কয়েক হাজার রয়েছেন। এক কোটির বেশি উইঘুর মুসলিম চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে নিপীড়িত হচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....
© All rights reserved Samudrakantha © 2019
Site Customized By Shahi Kamran