1. editor.barta52@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. kamrancox@gmail.com : Amirul Islam Md Rashed : Amirul Islam Md Rashed

মিডিয়ায় পরীমনির ঘটনা ও ভিন্ন চিন্তা

  • Update Time : সোমবার, ১৬ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৪ Time View

ভিন্ন চিন্তা

মিডিয়ায় পরীমণি সম্পর্কে যা দেখেছি তা যদি সব সত্যি হয় তাহলে পরীমনি যা করেছে তা কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়, বরং এজন্যে ঘৃণাই তার প্রাপ্য। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, সমাজে কেউ পরীমনি হয়ে জন্মায় না, পরীমনিরা হঠাৎ করে সৃষ্টও হয়না। অর্থশালী, ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী মহলের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে সমাজে তিল তিল করে পরীমনিরা বেড়ে উঠে। কিন্তু বিচারের কাঠগড়ায় শুধু পরীমনিদেরকেই দাড়াতে হয়, আইনের খড়গে শুধু তারাই ক্ষত-বিক্ষত হয়। যাদের আশ্রয়ে- প্রশ্রয়ে নিষ্পাপ পরীমনিরা পঙ্কিল পথে পা বাড়ায় তারা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। নূতন করে গড়ে তোলে নূতন নূতন হাজারো পরীমনি। পরীমনি সৃজনের এ দুষ্টচক্র না ভেঙ্গে পরীমনিদের উপর আইনের খড়গ চালালে তা কি আদৌ কোন ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে? নিজের বিবেকের কাছে একবার প্রশ্ন করুন, সমাজের সচেতন নাগরিক হিসেবে এ দুষ্টচক্র ভাঙ্গার ব্যর্থতার দায়ে আমি এবং আপনি অর্থাৎ আমরা সমবেতভাবে কি অভিযুক্ত নই?
বাস্তব চিন্তা-১
ক) যখন কেঁচো খুড়তে গিয়ে সাপ বের হয়েছে (নিজ বাহিনীর সদস্যের অনৈতিক বিষয় চলে এসেছে, তাকে বাঁচাতে) তখন কমিশনার মহোদয়ের আইনের ব্যাখ্যা চলে এসেছে! আচ্ছা তাহলে হোটেলে পুলিশ রেড চালায় কিভাবে? সেখানেও তো ২ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ পরস্পরের সম্মতিতে একত্রে শোয়!!! ইভেন পার্কে বা রিকশায়ও দেখেছি দু’জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ যখন ঘুরে বেড়ায় তখন আপনার বাহিনীর সদস্যদের জেরার মুখে হেনস্তার শিকার হতে হয়। আচ্ছা পাবলিক নুইসেন্স বলে একটা আইনের ধারা আছে, মাননীয় মহোদয় সেটা কী একটু উলটে দেখবেন কি করলে পাবলিক নুইসেন্স হয়? মাননীয় পুলিশ কমিশনার আপনার এমন সরল ব্যখ্যায় বোকাচোদ হয়ে গেলাম।
খ) মাননীয় পুলিশ কমিশনার আপনি বললেন তার বাসায় যে পরিমান মাদক পাওয়া গেছে সেই পরিমান মাদক গ্রহণ করার বা রাখার তার লাইসেন্স আছে কিনা বা লাইসেন্সের মেয়াদ আছে কিনা সেই আইনে মামলা হয়েছে। এর বাইরে তার নামে কোনো মামলা হয়নি। বাহ চমৎকার! কিন্তু অভিযানে আমরা দেখলাম আপনারা এলএসডি পেয়েছেন, আইস পেয়েছেন, ইয়াবা পেয়েছেন। তাহলে আপনারা এইগুলো নির্দিষ্ট্র পরিমানে সেবনের অনুমতি দেন তাহলে?? আর শুধু এই মাদকের মামলার জন্য’ই তাকে আবার ২য় বার রিমান্ডে নিতে হয়? আমরা কি মেয়াদ উত্তীর্ন জিনিসপত্র খেয়ে টাল হয়ে আছি?
গ) গুলশান ক্লাবে কে ভাংচুর করেছে? সংবাদ সম্মেলন করে আমরা কিন্তু বাহিনীর থেকেই এই বিষয় জেনেছি। এই বিষয় সুনির্দিষ্ট্র অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। গুলশান ক্লাবে সে ভাংচুরের প্রতিবাদ করলে উল্টো মিথ্যা অভিযোগ করে ৯৯৯ এ ফোন করে সরকারি বাহিনীকে হয়রানি করেছে। বোর্ট ক্লাবের ঘটনায় যেহেতু আপনারা তার অভিযোগের সত্যতা পান না। তারমানে সে একজন সম্মানিত ব্যবসায়ীকে অসত্য অভিযোগ করে মানহানি করেছে। আবার পরিমনি সংশ্লিষ্টে গ্রেফতার হওয়া নাসির ইউ মাহমুদের বাসা থেকেও মাদক এবং সহযোগী আটক হয়েছে। ভাইবেন না এই সমাজের সবাই আফিম খেয়ে ঘুমিয়ে আছে, তাদের প্রকৃত বাস্তব ঘটনা বিচার-বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা হারিয়ে গেছে। আপনাদের এসকল কিছু দেখে সমাজের সবাই বুঝে টাকার কাছে, ক্ষমতার কাছে ও স্বজনপ্রীতির কাছে আপনারা কতখানি বিক্রি হয়েগেছেন।
ঘ) পরিমণিরা পরী হয়ে উঠার বিষয়ে পূর্নাঙ্গ তদন্ত করে যারা সংশ্লিষ্ট তাদের সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় আপনাদের দাঁড়া করানো উচিত। আর বিচার বিভাগের দায়িত্ব হলো উপযুক্ত বিচার করে শাস্তি নিশ্চিত করা এবং যারা সমাজ-সামাজিক সম্পর্ক ও অপরাধ নিয়ে গবেষণা করে তাদের উচিত এ বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণা করা। আর আমাদের সাধারণের উচিত অন্যের পতনের পরচর্চা বন্ধ করে প্রদর্শন বাতিকগ্রস্ত মেধাহীন নাটকীয় দৃশ্য সৃষ্টি যারা করে তাদের বর্জন করা।

লেখক:মোস্তাফিুর রহমান
সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা

মিডিয়ায় পরীমনির ঘটনা ও ভিন্ন চিন্তা

ভিন্ন চিন্তা

মিডিয়ায় পরীমণি সম্পর্কে যা দেখেছি তা যদি সব সত্যি হয় তাহলে পরীমনি যা করেছে তা কখনোই সমর্থনযোগ্য নয়, বরং এজন্যে ঘৃণাই তার প্রাপ্য। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, সমাজে কেউ পরীমনি হয়ে জন্মায় না, পরীমনিরা হঠাৎ করে সৃষ্টও হয়না। অর্থশালী, ক্ষমতাশালী ও প্রভাবশালী মহলের পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে সমাজে তিল তিল করে পরীমনিরা বেড়ে উঠে। কিন্তু বিচারের কাঠগড়ায় শুধু পরীমনিদেরকেই দাঁড়াতে হয়, আইনের খড়গে শুধু তারাই ক্ষত-বিক্ষত হয়। যাদের আশ্রয়ে- প্রশ্রয়ে নিষ্পাপ পরীমনিরা পঙ্কিল পথে পা বাড়ায় তারা থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে। নূতন করে গড়ে তোলে নূতন নূতন হাজারো পরীমনি। পরীমনি সৃজনের এ দুষ্টচক্র না ভেঙ্গে পরীমনিদের উপর আইনের খড়গ চালালে তা কি আদৌ কোন ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে? নিজের বিবেকের কাছে একবার প্রশ্ন করুন, সমাজের সচেতন নাগরিক হিসেবে এ দুষ্টচক্র ভাঙ্গার ব্যর্থতার দায়ে আমি এবং আপনি অর্থাৎ আমরা সমবেতভাবে কি অভিযুক্ত নই?

 

বাস্তব চিন্তা

ক) যখন কেঁচো খুড়তে গিয়ে সাপ বের হয়েছে (নিজ বাহিনীর সদস্যের অনৈতিক বিষয় চলে এসেছে, তাকে বাঁচাতে) তখন কমিশনার মহোদয়ের আইনের ব্যাখ্যা চলে এসেছে! আচ্ছা তাহলে হোটেলে পুলিশ রেড চালায় কিভাবে? সেখানেও তো ২ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ পরস্পরের সম্মতিতে একত্রে শোয়!!! ইভেন পার্কে বা রিকশায়ও দেখেছি দু’জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ যখন ঘুরে বেড়ায় তখন আপনার বাহিনীর সদস্যদের জেরার মুখে হেনস্তার শিকার হতে হয়। আচ্ছা পাবলিক নুইসেন্স বলে একটা আইনের ধারা আছে, মাননীয় মহোদয় সেটা কী একটু উলটে দেখবেন কি করলে পাবলিক নুইসেন্স হয়? মাননীয় পুলিশ কমিশনার আপনার এমন সরল ব্যখ্যায় মাননীয় স্পিকার হয়ে গেলাম। ২০১৯ সালে আমরা দেখেছি চারিত্রিক স্খননের জন্য জামালপুরের সাবেক জেলা প্রশাসকের শাস্তি হয়েছে। কিন্তু এখানে দেখছি চারিত্রিক স্খলনকে প্রশ্রয় দেওয়ার মানসিকতা। একটা কথা আমাদের মনে রাখা উচিত এমন চরিত্রহীন অফিসারক যতই মেধাবী হোক এরা আপনার সার্ভিসের জন্য ভালো কিছু বয়ে আনবে না। নৈতিক বিষিয়ে এই তরুণ বয়সেই যদি অধপতন আসে তাহলে এদের কারণে আপনার এই সার্ভিস ডুবতে খুব বেশি সময় লাগবে না। তাই এমন দু’একটা পোকা ধরা ফুল বা বিষাক্ত ধুতুরা ফুল কুড়িতেই ঝেটিয়ে বিদায় করুণ। অন্যথায় এর পুরো দায় সার্ভিসের উর্ধতন হিসেবে আপনাদেরকেই নিতে হবে এবং সার্ভিসের জন্য অসম্মান বয়ে আনবে।

খ) মাননীয় পুলিশ কমিশনার আপনি বললেন তার বাসায় যে পরিমান মাদক পাওয়া গেছে সেই পরিমান মাদক গ্রহণ করার বা রাখার তার লাইসেন্স আছে কিনা বা লাইসেন্সের মেয়াদ আছে কিনা সেই আইনে মামলা হয়েছে। এর বাইরে তার নামে কোনো মামলা হয়নি। বাহ চমৎকার! কিন্তু অভিযানে আমরা দেখলাম আপনারা এলএসডি পেয়েছেন, আইস পেয়েছেন, ইয়াবা পেয়েছেন। তাহলে আপনারা এলএসডি, আইস ও ইয়াবা সেবনের অনুমতি দেন তাহলে?? আর শুধু এই মাদকের মামলার জন্য’ই তাকে আবার ২য় বার রিমান্ডে নিতে হয়? আপনাদের ধারণা আমরা সাধারণ জনগণ কি মেয়াদ উত্তীর্ন জিনিসপত্র খেয়ে টাল হয়ে আছি?

গ) গুলশান ক্লাবে কে ভাংচুর করেছে? সংবাদ সম্মেলন করে আমরা কিন্তু বাহিনীর থেকেই এই বিষয় জেনেছি। এই বিষয় সুনির্দিষ্ট্র অভিযোগ আছে তার বিরুদ্ধে। গুলশান ক্লাবে সে ভাংচুরের প্রতিবাদ করলে উল্টো মিথ্যা অভিযোগ করে ৯৯৯ এ ফোন করে সরকারি বাহিনীকে হয়রানি করেছে। বোর্ট ক্লাবের ঘটনায় যেহেতু আপনারা তার অভিযোগের সত্যতা পান না। তারমানে সে একজন সম্মানিত ব্যবসায়ীকে অসত্য অভিযোগ করে মানহানি করেছে। আবার পরিমনি সংশ্লিষ্টে গ্রেফতার হওয়া নাসির ইউ মাহমুদের বাসা থেকেও মাদক এবং সহযোগী আটক হয়েছে। ভাইবেন না এই সমাজের সবাই আফিম খেয়ে ঘুমিয়ে আছে, তাদের প্রকৃত বাস্তব ঘটনা বিচার-বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা হারিয়ে গেছে। আপনাদের এসকল কিছু দেখে সমাজের সবাই বুঝে টাকার কাছে, ক্ষমতার কাছে ও স্বজনপ্রীতির কাছে আপনারা কতখানি বিক্রি হয়ে গেছেন।

ঘ) পরিমণিরা পরী হয়ে উঠার বিষয়ে পূর্নাঙ্গ তদন্ত করে যারা সংশ্লিষ্ট তাদের সবাইকে বিচারের কাঠগড়ায় আপনাদের দাঁড়া করানো উচিত। আর বিচার বিভাগের দায়িত্ব হলো উপযুক্ত বিচার করে শাস্তি নিশ্চিত করা এবং যারা সমাজ-সামাজিক সম্পর্ক ও অপরাধ নিয়ে গবেষণা করে তাদের উচিত এ বিষয়ে বিস্তারিত গবেষণা করা। আর আমাদের সাধারণের উচিত অন্যের পতনের পরচর্চা বন্ধ করে প্রদর্শন বাতিকগ্রস্ত মেধাহীন নাটকীয় দৃশ্য সৃষ্টি যারা করে তাদের বর্জন করা।

লেখক-মোস্তাফিজুর রহমান
সাবেক ব্যাংক কমকর্তা
E-mail: shawonier@gmail.com

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....
© All rights reserved Samudrakantha © 2019
Site Customized By Shahi Kamran