1. editor.barta52@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. kamrancox@gmail.com : Amirul Islam Md Rashed : Amirul Islam Md Rashed

সীমান্তে বিএসএফ-এর আরো ক্ষমতা

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ২২ Time View

পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের সীমান্তে বিএসএফ-এর ক্ষমতা বাড়ানোর ঘোষণা কেন্দ্রের। আপত্তি তুলল পাঞ্জাব এবং পশ্চিমবঙ্গ।
সীমান্তে বিএসএফ-এর আচরণ নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। এবার সেই বিতর্ক আরো বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বুধবার একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, বিশেষত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ-এর ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। এর ফলে স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে বিএসএফ-এর সংঘাত তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। পাঞ্জাব এবং পশ্চিমবঙ্গ কেন্দ্রের এই নোটিসের কড়া সমালোচনা করে বলেছে, বিএসএফ-এর হাতে এতটা ক্ষমতা তুলে দেওয়ার অর্থ দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে অবজ্ঞা করা।
বুধবার কেন্দ্র যে গেজেট প্রকাশ করেছে, তাতে বলা হয়েছে, আসাম, পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাবের মতো রাজ্যগুলিতে সীমান্তে বিএসএফ-এর ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। এতদিন তারা সীমান্ত থেকে ১৫ কিলোমিটার অঞ্চলের মধ্যে নজরদারি চালাতো পারতো। গ্রেপ্তার বা তল্লাশি চালাতো পারতো। নতুন নিয়মে তারা সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটার অঞ্চল পর্যন্ত নজরদারি চালাতে পারবে। স্থানীয় পুলিশকে উপেক্ষা করে বিনা ওয়ারেন্টে তল্লাশি চালাতে এবং গ্রেপ্তার করতে পারবে। সীমান্তে চোরাচালান এবং অনুপ্রবেশ রুখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রের দাবি।
বিতর্কের কারণ
সীমান্তে পাচারের সঙ্গে বিএসএফ যুক্ত, এমন অভিযোগ এর আগে উঠেছে। কিছুদিন আগে বিএসএফ-এর এক অফিসার পশ্চিমবঙ্গে ধরাও পড়েছেন। এছাড়াও সীমান্ত হত্যার অভিযোগও বার বার উঠেছে। সীমান্ত হত্যার অভিযোগ বাংলাদেশ যেমন তুলেছে, তেমনই ভারতে সীমান্তে বসবাসকারী নাগরিকরাও তুলেছেন। বিএসএফ-এর ক্ষমতা বাড়িয়ে দেওয়ার ফলে এই বিতর্ক আরো বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।
সমাজকর্মী কিরিটি রায় জানিয়েছেন, ”সীমান্ত থেকে ৫০ কিলোমিটার ভিতরে ঢোকার অর্থ সম্পূর্ণ লোকালয়ে ঢুকে পড়া। সেখানে স্থানীয় পুলিশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার কথা। বিএসএফ সেখানে ঢুকলে বিতর্ক বাড়বেই। বিএসএফ-এর অত ভিতরে ঢুকে কাজ করার কথাও নয়। তাদের কাজ কেবলমাত্র সীমান্ত রক্ষা করা।”
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক অফিসার ডিডাব্লিউকে জানিয়েছেন, নতুন গেজেটে বিএসএফ-কে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তা অভূতপূর্ব। স্থানীয় পুলিশকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখে তারা অভিযান চালাতে পারবে।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই নোটিফিকেশন ফিরিয়ে নেওয়া হোক। কারণ, এই গেজেট ফেডারেল কাঠামোর বিরোধী। কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএফ-কে ব্যবহার করে রাজ্যের ক্ষমতায় হস্তক্ষেপ করতে চাইছে।
পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও একই কথা বলেছেন। তার বক্তব্য, ”কেন্দ্রীয় এজেন্সি রাজ্যের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার আরো এক উদাহরণ তৈরি করল কেন্দ্র। আমরা এর বিরোধিতা করছি।”
উত্তর-পূর্ব ও কাশ্মীর পরিস্থিতি
উত্তর-পূর্ব ভারত এবং জম্মু ও কাশ্মীরে বিএসএফ-কে এখনই অনেক বেশি ক্ষমতা দেওয়া আছে। সেখানেও তল্লাশি এবং গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিএসএফ-কে আরো বেশি ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....
© All rights reserved Samudrakantha © 2019
Site Customized By Shahi Kamran