1. samudrakantha@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. aimrashed20@gmail.com : Amirul Islam Rashed : Amirul Islam Rashed

রোহিঙ্গারা জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়তে পারে

  • Update Time : শুক্রবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৩ Time View

রোহিঙ্গারা সম্প্রদায়টি পর্যায়ক্রমে জঙ্গিবাদী তৎপরতার সঙ্গেও জড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সরকারে সবরকম তৎপরতার পরেও রোহিঙ্গারা ক্রমশ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে বলে জানান তিনি।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার ১৩ বছর উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
রোহিঙ্গারা নিজেদের মধ্যে ক্রমশ সংঘাতে জড়িতে পড়ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বলেন, দ্রুত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এ বিষয়ে ভারতসহ বিশ্ব নেতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গোয়েন্দা জালকে ফাঁকি দিয়ে জঙ্গিরা কোনো রকম তৎপরতা চালানোর ক্ষমতা রাখে না বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। দেশের বাইরে থেকে জঙ্গি তৎপরতা উসকে দেয়ার কেউ চেষ্টা করছে কিনা সে বিষয়ে সরকার সর্তক দৃষ্টি রাখছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
২০০৮ সালে ২৬ নভেম্বর ভারতের মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার বার্ষিকীতে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের ঘিরে জঙ্গিবাদ বিস্তারের শঙ্কার কথা তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কামাল।
দেশে সন্ত্রাস, জঙ্গি ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি নেয়ার কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আমরা সেভাবেই ঢেলে সাজিয়েছি। আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আমরা মনে করি, যে কোনো ধরনের সহিংসতা মোকাবেলার জন্য তৈরি হয়ে রয়েছে। সেজন্য তারা বড় রকমের আক্রমণ আগে থেকে ডিটেক্ট করতে পারছে। সেজন্য আমরা মনে করি, আমাদের জনগণও ঘুরে দাঁড়িয়েছে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে।
জঙ্গিবাদ দমনে ভারতসহ অন্যান্য দেশের সহযোগিতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, তারা জঙ্গি দমনে আমাদেরকে সহযোগিতা করা, ইন্টেলেজিন্স শেয়ার করা, তাদের প্রযুক্তি আমাদেরকে দিয়ে আমাদেরকে সহযোগিতা করা- সবকিছু করছেন। সেজন্য এই জিনিসটা আমাদের কাছে আরো সহজ হয়েছে।
জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষকতার পেছনে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রসঙ্গ ধরে কামাল বলেন, পাকিস্তান সবসময় আমাদের দেশের উপর, ওদের ইন্টেলিজেন্স যেটা, আইএসআই, এটার মাধ্যমে তারা নানানভাবে আমাদেরকে বিব্রত করার প্রচেষ্টা নিয়েছে।
আমরা সে ব্যাপারে সবসময় খেয়াল রাখছি। যাতে করে তারা আর এই ধরনের ঘটনা না ঘটাতে পারে, সেজন্য আমরা সবসময় তাদের গতিবিধির উপর লক্ষ্য রাখছি।
জঙ্গিবাদ দমনে ভারতের কাছ থেকে সহযোগিতা পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা সবসময় আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ ভারতের সঙ্গে গোয়েন্দা তথ্য শেয়ার করে থাকি এবং আমরা তাদের থেকে আমাদের ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে সবসময় খবরাখবর রাখতে সক্ষম হয়েছি।
২০০৮ সালের ২৬ নভেম্বরে মুম্বাইয়ের একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছিল লস্কর-ই-তৈয়বার জঙ্গিরা। সেই হামলায় নিহত হন ১৬৬ জন, আহত হন ৩০০ মানুষ।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....

© All rights reserved Samudrakantha © 2019

Site Customized By Shahi Kamran