1. samudrakantha@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. aimrashed20@gmail.com : Amirul Islam Rashed : Amirul Islam Rashed

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে যে কারণে উদ্বেগ

  • Update Time : রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৯৪ Time View

শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনকে নিয়ে ভয় ছড়িয়ে পড়েছে সারা বিশ্বে৷ ধরনটিকে উদ্বেগজনক হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে শুরু করেছে বিভিন্ন দেশ৷
সাউথ আফ্রিকায় শনাক্ত হওয়া করোনার নতুন ধরন নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ছিল৷ শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও ধরনটিকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ বা উদ্বেগজনক হিসেবে শ্রেনিভুক্ত করেছে৷ বি.১.১.৫২৯ ধরনটির নতুন নামকরণ করা হয়েছে ওমিক্রন৷
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণার পর বিভিন্ন দেশ সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে৷ ভাইরাসের ধরনটি এর মধ্যেই কয়েক দফা নিজেকে পরিবর্তন করেছে বলে জানা যাচ্ছে৷ বিদ্যমান টিকাগুলো ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কতটা কার্যকারি হবে তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে৷
যেসব দেশে ছড়িয়েছে
ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হয়েছে সাউথ আফ্রিকাতে৷ সেখান থেকেই অন্যদেশগুলোতে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷
সাউথ আফ্রিকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর কমিউনিকেবল ডিজিস-এনআইসিডি জানিয়েছে, তারা ২২ জনকে ওমিক্রন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করতে পেরেছে৷ এখন পর্যন্ত ১০০ এর কম জিন সিকোয়েন্স করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কোভিড-১৯ বিষয়ক কারিগরি প্রধান মারিয়া ভ্যান কেরখোভ৷ তিনি বলেন, ‘‘ভাইরাসটি যত ছড়াবে তার পরিবর্তিত হওয়ার সম্ভাবনাও তত বাড়বে৷ দেখা দিবে নতুন নতুন রূপও৷’’
শুক্রবার পর্যন্ত বেলজিয়াম, ইসরায়েল, বতসোয়ানা ও হংকংয়ে ধরনটি শনাক্ত করা গেছে৷
জার্মানিতেও এরইমধ্যে ওমিক্রন পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছেন হেসে রাজ্যের মন্ত্রী কাই ক্লোজে৷ স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সাউথ আফ্রিকা থেকে আগত এক পর্যটক করোনার ওমিক্রন ধরনে আক্রান্ত বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷’’
নেদারল্যান্ডস জানিয়েছে, শুক্রবার সাউথ আফ্রিকা থেকে আগত দুইটি ফ্লাইটের ৬১ জন যাত্রীর করোনা শনাক্ত হয়েছে৷ তাদেরকে এখন আরো পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হচ্ছে৷
চেক রিপাবলিক নামিবিয়া থেকে আগত একজনের শরীরে করোনার নতুন ধরন শনাক্ত করেছে৷ সেটি ওমিক্রনের কিনা তা নিয়ে পরীক্ষা চলছে৷
ইউরোপীয় সেন্টার ফর ডিজিস প্রিভেনশন অ্যান্ড কন্ট্রোল জানিয়েছে, ইউরোপে করোনার নতুন এই ধরন ছড়িয়ে পড়ার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে৷
দেশগুলোর প্রতিক্রিয়া
আফ্রিকা মহাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিভিন্ন দেশ৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ধরনটিকে উদ্বেগজনক হিসেবে ঘোষণা করার পরপরই প্রথম উদ্যোগ নেয় যুক্তরাজ্য৷ সাউথ আফ্রিকার সঙ্গে যাতায়াত নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, ইটালিও৷ বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘‘সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আমরা অবহিত হয়েছি৷ এই ভ্যারিয়েন্ট খুবই অ্যাগ্রেসিভ৷ এ কারণে দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ এখনই স্থগিত করা হচ্ছে৷’’
তবে তাড়াহুড়া করে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেয়ার পক্ষপাতি নয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ এক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক তথ্য উপাত্ত নির্ভর পদক্ষেপ নেয়ার পরামর্শ তাদের৷
অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর আচরণের সমালোচনা করেছেন সাউথ আফ্রিকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী জো ফাহলা৷ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘‘আমরা মনে করি কিছু প্রতিক্রিয়া অন্যায্য৷’’
এখন পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে
শুক্রবার ওমিক্রনের ঝুঁকি বিষয়ে আলোচনা করতে জেনেভায় জরুরি বৈঠকে বসে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ ডব্লিউএইচও বলছে, ওমিক্রনে করোনা থেকে সেরে ওঠা রোগীরাও পুনরায় আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে৷ এজন্য দেশগুলোকে নজরদারি বৃদ্ধি, ধরন শনাক্ত করার জন্য জিন সিকোয়েন্স কার্যক্রম চালু করা, শনাক্ত হলে প্রতিবেদন পেশ করতে বলা হয়েছে৷ সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে তারা৷
ডব্লিউএইচও বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভাইরাসের ধরনটি নিজেকে অসংখ্যবার রূপান্তর করেছে৷ এর কোন কোনটির বৈশিষ্ট্য ভয়ের কারণ তৈরি করছে৷ তবে পিসিআর পরীক্ষায় এখনও ওমিক্রনকে শনাক্ত করা যাচ্ছে৷
টিকার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ
ওমিক্রন নিজেকে যেভাবে বদলে ফেলেছে তাতে বিদ্যমান টিকাগুলো এর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পারবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে৷ এ বিষয়ে নিশ্চিত হতে আরো তথ্য সংগ্রহ করছে ডব্লিউএইচও৷ জেনেভার বৈঠকের আগে সংস্থাটির কোভিড-১৯ বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ডেভিড নাবারো বিবিসিকে বলেন, সাউথ আফ্রিকায় ছড়িয়ে পড়া নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ আছে৷ কেননা, টিকার কারণে যে প্রতিরোধ ব্যবস্থাটি সবাই মিলে এতদিনে গড়ে তুলতে পেরেছিল সেটি ভেঙ্গে ফেলার ক্ষমতা এই ভাইরাসটির আছে বলে তার কাছে মনে হচ্ছে৷
এফএস/এআই (ডিপিএ, রয়টার্স, এপি, এএফপি)

।। করোনা ভাইরাস: ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে কী জানা যাচ্ছে, এটা কতটা বিপজ্জনক॥
এক চেনা উদ্বেগ আমাদের মধ্যে নতুন করে দেখা দিয়েছে – আর তা হলো করোনাভাইরাসের নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট – ওমিক্রন।
সর্বশেষ ‌এই ভ্যারিয়েন্টটি কোভিড জীবাণুর সবচেয়ে বেশি মিউটেট হওয়া সংস্করণ। এর মিউেটশনের তালিকা এত দীর্ঘ যে একজন বিজ্ঞানী একে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন। অন্য এক জন বিজ্ঞানী আমাকে বলেছেন, তার দেখা অন্য ভ্যারিয়েন্টগুলোর মধ্যে ওমিক্রনই সবচেয়ে মারাত্মক।
এই ভ্যারিয়েন্টটি মাত্রই তার যাত্রা শুরু করেছে, যদিও এখন পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার একটি প্রদেশে এর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে এটি অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে।
এমুহূর্তে সবার মনে প্রশ্ন: ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট কত দ্রুত ছড়াতে পারবে, এটি কি ভ্যাকসিনের সুরক্ষাকে ভেদ করতে পারবে? তেমন হলে এর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেয়া যাবে?
এসব প্রশ্ন নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা রয়েছে, কিন্তু এর কোন পরিষ্কার জবাব পাওয়া যাচ্ছে না।
ওমিক্রন সম্পর্কে আমরা এপর্যন্ত কী জানি?
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডাব্লিউএইচও নতুন এই ভ্যারিয়েন্টের নাম দিয়েছে ওমিক্রন। গ্রিক বর্ণমালার আলফা, ডেল্টার মতোই নতুন এই ভ্যারিয়েন্টের কোড-নেম ঠিক করা হয়েছে।
এই ভ্যারিয়েন্টটি মিউটেট বা তার রূপ পরিবর্তন করেছে অনেকভাবে। দক্ষিণ আফ্রিকার সেন্টার ফর এপিডেমিক রেসপন্স অ্যান্ড ইনোভেশনের পরিচালক অধ্যাপক টুলিও ডি অলিভিয়েরা বলছেন, এই ভ্যারিয়েন্টটি “অনেক অস্বাভাবিকভাবে মিউটেট” করেছে এবং এখন পর্যন্ত অন্য যেসব ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়েছে তার চেয়ে এটি “অনেকখানিই আলাদা।”
“এটা আমাদের খুব অবাক করেছে,” বলছেন তিনি, “বিবর্তনের জন্য এটা বড় বড় ধাপ পার হয়েছে। (কোভিড জীবাণুতে) আমরা সাধারণত যে ধরণের মিউটেশন দেখি এর মধ্যে সেটা অনেক বেশি।”
এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ডি অলিভিয়েরা জানিয়েছেন, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট মিউটেট করেছে ৫০ বার। আর এর স্পাইক প্রোটিন বদলেছে ৩০ বার। মানুষের দেহের মধ্যে ঢুকতে কোভিড ভাইরাস এই স্পাইক প্রোটিন ব্যবহার করে। এবং করোনার ভ্যাকসিন সাধারণত এই স্পাইক প্রোটিনকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়।
ভাইরাসের যে অংশটি প্রথম মানুষের দেহকোষের সঙ্গে সংযোগ ঘটায় তার নাম রিসেপ্টার বাইন্ডিং ডোমেইন। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সেই রিসেপ্টার বাইন্ডিং ডোমেইনে মিউটেশন ঘটিয়েছে ১০ বার। সেই তুলনায় করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে এই পরিবর্তন হয়েছে মাত্র দু’বার।
বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই ধরণের মিউটেশন সম্ভবত একজন রোগীর দেহের জীবাণু থেকে এসেছে, যিনি এই ভাইরাসের সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে পারেননি।
তবে ভাইরাসের সব মিউটেশনই খারাপ না। এটা জানা গুরুত্বপূর্ণ যে এসব মিউটেশনের ফল কী দাঁড়ায়।
তবে শঙ্কার কথা হলো চীনের উহানে করোনার প্রথম যে জীবাণুটি দেখা গিয়েছিল তার তুলনায় এই ভাইরাস এখন অনেকখানিই ভিন্ন। এর মানে হলো, কোভিডের মূল স্ট্রেইনকে মাথায় রেখে তৈরি করা ভ্যাকসিন এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর নাও হতে পারে।
কোভিডের অন্য সব ভ্যারিয়েন্টে যেসব মিউটেশন লক্ষ্য করা গেছে সেসব দিয়ে হয়তো এই ভ্যারিয়েন্টের ভবিষ্যৎ রূপান্তর সম্পর্কে একটা ধারণা পাওয়া যাবে।
দক্ষিণ আফ্রিকার কোয়াজুলু-নাটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিচার্ড লেসেলস বলছেন, “এই ভাইরাসটির সংক্রমণের ক্ষমতা, এক মানুষ থেকে অন্য মানুষে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষমতা -এসব আমাদের শঙ্কার মধ্যে ফেলেছে। আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভেদ করার কিছু ক্ষমতাও সম্ভবত এর রয়েছে।”
তবে কোভিডের অনেক ভ্যারিয়েন্ট গবেষণাগারে বিপজ্জনক বলে মনে হলেও পরে তা ভুল প্রমাণিত হয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে বেটা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সবাই দুর্ভাবনায় ছিলেন। কারণ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেদ করতে এর কোন জুড়ি ছিল না। কিন্তু পরে দেখা গেল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এর চেয়েও দ্রুত গতিতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
“বেটা ভ্যারিয়েন্ট শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভেদ করতে পারতো। আর কিছু না। ডেল্টার সংক্রমণ ক্ষমতা ছিল বেশি। আর ইমিউন সিস্টেমকে এড়াতেও পারতো মোটামুটি,” বলছেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রাভি গুপ্তা, “কিন্তু এটা (ওমিক্রন) দুই দিক থেকেই সমান পারদর্শী।”
গবেষণাগার থেকে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে একটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে ঠিকই, কিন্তু এর সম্পর্কে যেসব প্রশ্ন রয়েছে তার জবাব মিলবে বাস্তব পরিস্থিতি থেকে।
এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে এখনই কোন উপসংহারে পৌঁছানো যাবে না। কিন্তু যেসব ইঙ্গিত এখনই পাওয়া যাচ্ছে তা নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ।
ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সবচেয়ে বেশি রোগী শনাক্ত হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার গটেং প্রদেশে। বোতসোয়ানায় পাওয়া গেছে চারটি কেস। এবং হংকংয়ে পাওয়া গেছে একটি কেস। ইসরায়েল এবং বেলজিয়ামেও ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।
এই ভাইরাসটি যে আরো অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে সে সম্পর্কেও কিছু সূত্র পাওয়া যাচ্ছে।
কোভিডের সাধারণ পরীক্ষায় এই ভ্যারিয়েন্টের ফলাফল কিছুটা বিচিত্র দেখতে হয়, ল্যাবরেটরির ভাষায় যাকে বলে ‘এস-জিন ড্রপ আউট’। ফলে এই বৈশিষ্ট্যে জন্যই পূণার্ঙ্গ জিন বিশ্লেষণ না করেও হয়তো এটি কীভাবে, কোথায় ছড়িয়ে পড়ছে সেটা জানা সম্ভব হবে।
এর অর্থ দাঁড়ায় গটেং প্রদেশের ৯০% রোগীর দেহে সম্ভবত এই ভ্যারিয়েন্ট রয়েছে এবং “দক্ষিণ আফ্রিকার অন্যান্য প্রদেশেও” হয়তো এটি ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।
কিন্তু ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকেও এটি বেশি দ্রুততায় ছড়ায় কিনা, এর সংক্রমণের প্রভাব কতটা মারাত্মক কিংবা ভ্যাকসিনের সুরক্ষা এটি ভেদ করতে পারে কিনা সে সম্পর্কে এখনও কোন তথ্য জানা যাচ্ছে না।
দক্ষিণ আফ্রিকার মোট জনসংখ্যার ২৪% কোভিড টিকার আওতায় এসেছে। এর চেয়ে বেশি টিকা দেয়া হয়েছে যেসব দেশে সেখানে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট আদৌ ছড়িয়ে পড়বে কিনা, সেই প্রশ্নেরও কোন জবাব হাতে নেই।
ফলে এখন পর্যন্ত যেটুকু আমরা জানি তা হলো এর সম্পর্কে বিজ্ঞানীদের ধারণা অনেক কম, কিন্তু এর বৈশিষ্ট্য দেখে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। এবং গভীরভাবে এর ওপর নজর রাখতে হবে।
তবে করোনা মহামারির একটা বড় শিক্ষা হলো: সব প্রশ্নের জবাব জানার জন্য অপেক্ষা করার মতো যথেষ্ট সময় আমাদের হাতে নেই।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News .....

© All rights reserved Samudrakantha © 2019

Site Customized By Shahi Kamran