1. samudrakantha@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. aimrashed20@gmail.com : Amirul Islam Rashed : Amirul Islam Rashed

১ ডিসেম্বর থেকে চট্টগ্রাম সিটিতে পলিথিন নিষিদ্ধ

  • Update Time : সোমবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২১
  • ৬১ Time View

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, নগরী থেকে পরিবেশ দূষণ ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টিকারী উপাদান পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করার যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তাতে নগরবাসীর সহযোগিতা একান্ত অপরিহার্য। চট্টগ্রাম নগরীর চকবাজার, কাজীর দেউরী ও কর্ণফুলী মার্কেটগুলো আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে পলিথিনমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নগরবাসীর সহযোগিতায় অন্যান্য কাঁচাবাজার ও দোকানপাটগুলোকে এর আওতায় আনা হবে।
পলিথিন মুক্তকরণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে সোমবার সকালে নগরীতে বিভিন্ন সমাবেশে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন চসিক মেয়র। এই সমাবেশগুলোতে সভাপতিত্ব করেন যথাক্রমে প্যানেল মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন, কাউন্সিলর নাজমুল হক ডিউক, নুর মোস্তফা টিনু।
চসিকের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে জনসচেতনতা সৃষ্টি, মাইকিং, প্রচারপত্র বিলির মাধ্যমে পলিথিন মুক্তকরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরবর্তীতে এ নির্দেশ অমান্য করলে জরিমানাসহ কঠোর আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা করা হবে।
মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রাণকেন্দ্র। কর্ণফুলী নদীর তলদেশে ২০ ফিট স্তরে পলিথিন জমাট হওয়ার কারণে জাহাজ চলাচলে যেমন বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে অন্যদিকে নদীর নাব্যতা রক্ষার জন্য যে ড্রেজিং করার প্রয়োজন তাও প্রতিবন্ধকতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কর্ণফুলীকে না বাঁচাতে পারলে চট্টগ্রাম বন্দর অচল হয়ে যাবে এবং এর কুপ্রভাব সারা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দেবে।
মেয়র বলেন, ‘পলিথিন শুধু জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে না, এর কারণে মাটির উর্বরতা, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থায় প্রতিবন্ধকতাসহ বিভিন্ন রোগব্যাধির সৃষ্টি করে। এ কারণে দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রামকে পরিবেশবান্ধব নগরী হিসেবে গড়তে, কর্ণফুলী নদী রক্ষার মাধ্যমে বন্দরকে সচল রাখতে এবং জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে পলিথিন ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। বিকল্প হিসেবে পাট বা কাপড় বা নন ওভেন ফেব্রিক্সের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করে সবাইকে সচেতন নাগরিকের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানাচ্ছি।’
পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক মো. নুরুন্নবী এ মহতী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর অনেক কার্যক্রম হাতে নিলেও সিটি করপোরেশন কর্তৃক পলিথিন ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করার জন্য যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তা বাস্তবায়িত হলে নগরবাসীর দুর্ভোগ অনেক লাঘব হবে এবং পরিচ্ছন্ন নগর পাবে নগরবাসী।
চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শহীদুল আলম বলেন, পলিথিন আসার আগে বাজারে মানুষ থলে নিয়ে যাওয়ার যে অভ্যাস ছিল তা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে পারলে পরিবেশদূষণকারী পলিথিনের অভিশাপ থেকে আমরা মুক্ত হতে পারবো।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....

© All rights reserved Samudrakantha © 2019

Site Customized By Shahi Kamran