1. samudrakantha@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. aimrashed20@gmail.com : Amirul Islam Rashed : Amirul Islam Rashed

একের পর এক হাতি হত্যায় ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজছে বন বিভাগ!

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ৮৫ Time View

দেশের বনাঞ্চলে একের পর এক হাতির মৃত্যু ঘটছে। গত মাসে সাতটি হাতির মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক চাপের মুখে পড়েছে বন বিভাগ। এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার পাশাপাশি আলোচনা গড়িয়েছে আদালতেও। দেশজুড়ে বিক্ষোভ-মানববন্ধন পৌঁছেছে বন ভবন পর্যন্ত। গত রবিবার বন ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে ৩৩টি পরিবেশবাদী সংগঠনের সমন্বিত প্রয়াস ‘বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট’।
এতো ক্ষোভ-বিক্ষোভের মাঝেই বুধবার আবারও উদ্ধার হলো হাতির মরদেহ। এতো কিছুর মাঝেও চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এই হাতির মৃত্যু কিভাবে ঘটলো বন বিভাগের কাছে জানতে চেয়েছে ‘বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট’। এই সময় জোটের আহ্বায়ক পরিবেশবিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদারকে বন অধিদফতরের প্রধান বন সংরক্ষক আমীর হোসাইন চৌধুরী জানিয়েছেন, বার বার একই ঘটনা ঘটার পেছনে অন্য কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না খতিয়ে দেখছেন তারা।
বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) জোট নেতা এবং সেভ আওয়ার সি-এর মহাসচিব মুহাম্মাদ আনোয়ারুল হক স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট জানায়, এদিন জোটের আহ্বায়ক কমিটির বৈঠক থেকে প্রধান বন সংরক্ষককে ফোন করা হয়। এসময় কোন ব্যর্থতার কারণে বার বার হাতির হত্যাকাণ্ড ঘটছে এবং এ ব্যাপারে বন বিভাগের তৎপরতায় ঘাটতি রয়েছে কি না জানতে চান জোটের আহ্বায়ক পরিবেশ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. আহমাদ কামরুজ্জামান মজুমদার।
একইসংগে হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী হত্যার ঘটনায় কার ঘাটতি অথবা দায় রয়েছে সেই বিষয়ে বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোট ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছায়া তদন্ত করবে বলে জানান তিনি।
পরে হাতি হত্যা বন্ধে বন বিভাগের তৎপরতা তুলে ধরে প্রধান বন সংরক্ষক দাবি করেন, তাদের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু লোকবল সংকটের কারণে মনিটরিং ব্যবস্থা ফলপ্রসু হচ্ছে না।
প্রধান বন সংরক্ষক অভিযোগ করেন, অধিকাংশ হাতির মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুতায়িত হয়ে। বনের ভেতরে যত্রতত্র অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া রয়েছে যা নিয়ন্ত্রণ করা বন বিভাগের পক্ষে সম্ভব নয়। এই বিষয়ে অসহযোগিতার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অল্প কয়েক দিনের ব্যবধানে আটটি হাতির মৃত্যুর ঘটনায় অন্য কোনো ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানান আমীর হোসাইন চৌধুরী। বন ও বন্য প্রাণী সংরক্ষণে বাংলাদেশ প্রকৃতি সংরক্ষণ জোটসহ সকল পরিবেশ প্রেমীদের সহায়তাও কামনা করেন তিনি।
এর আগে, জোটের আহ্বায়ক কমিটির বৈঠকে বর্তমান বন ব্যবস্থাপনার প্রতি একটি অনাস্থাপত্র পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী এবং একই মন্ত্রণালয়ের সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির কাছে জমা দেওয়া, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন এবং হাতি হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে একটি ছায়া তদন্তের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....

© All rights reserved Samudrakantha © 2019

Site Customized By Shahi Kamran