1. samudrakantha@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. aimrashed20@gmail.com : Amirul Islam Rashed : Amirul Islam Rashed

জেনে নিন করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের পাঁচ লক্ষণ

  • Update Time : শনিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৭ Time View

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৬০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনার ভাইরাসের আগের যে কোনো ধরনের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে এই ভাইরাস।
এটি টিকার প্রতিরোধক্ষমতাকে এড়াতে পারে জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) একে ‘উদ্বেগজনক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।
ওমিক্রনে যে নতুন লক্ষণগুলো দেখা যাচ্ছে-
ক্লান্তিবোধ
করোনাভাইরাসের আগের যে কোনো ধরনের চেয়ে ওমিক্রন একটু বেশি ক্লান্তি বা চরম ক্লান্তির কারণ হতে পারে। ওমিক্রনে আক্রান্ত হলে অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ করতে পারেন, শক্তি স্বল্পতা অনুভব করতে পারেন এবং বিশ্রাম নেওয়া প্রবল ইচ্ছা জাগতে পারে। দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হতে পারে।
তবে একথাও মনে রাখতে হবে, শুধু কোভিডের কারণে নয়, অন্যান্য কারণ এবং স্বাস্থ্য সমস্যার কারণেও যে কারো ক্লান্তি বোধ হতে পারে। আপনার শারীরিক অবস্থা নিশ্চিত হতে পরীক্ষা করে নিন।
খসখসে গলা
দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসক অ্যাঞ্জেলিক কোয়েটজি’র মতে, ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তিরা গলা ব্যথার পরিবর্তে ‘খসখসে গলায়’ কথা বলছেন। যা অস্বাভাবিক। আগেরটি গলার জ্বালার সংগে সম্পর্কযুক্ত আর নতুনটি আরো বেদনাদায়ক।
হালকা জ্বর
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর হালকা থেকে মাঝারি জ্বর হলো অন্যতম লক্ষণ। তবে করোনার আগের ধরনগুলো রোগীদের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেললেও ডা. কোয়েটজি’র মতে, বর্তমান ধরন শরীরে হালকা তাপমাত্রা আনে, আবার নিজে থেকেই চলে যায়।
রাতে ঘাম এবং শরীরে ব্যথা
দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য অধিদফতরের আরেকটি আপডেটে জানা যায়, ডা. উনবেন পিলে ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীদের লক্ষণগুলো তালিকাভুক্ত করছেন। তিনি বলেন, রাতের ঘাম ঝরা ওমিক্রন সংক্রমণের অন্যতম লক্ষণ হতে পারে। রাতে এতোটাই ঘাম হতে পারে যে যদি আপনি শীতল জায়গায়ও শুয়ে থাকেন, তবুও আপনার কাপড় এবং বিছানা ভিজে যাবে। ডাক্তারের মতে, এটি ‘প্রচুর শরীর ব্যথা’সহ অন্যান্য উপসর্গের সংগে দেখা দিতে পারে।
শুকনো কাশি
ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শুকনো কাশিও দেখা দিতে পারে। এটি আগের ধরনের মধ্যেও সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে একটি ছিলো।
ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীদের দেখে এখনো পর্যন্ত মনে হচ্ছে, ওমিক্রন আপাতত শুধুমাত্র হালকা লক্ষণগুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকছে। তাছাড়া করোনার আগের ধরনগুলোর মতো ওমিক্রনে গন্ধ বা স্বাদ হারানোর কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এতে কোনো রোগীর নাক বন্ধ হয়ে যেতেও দেখা যায়নি।
শনিবার দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকরাও জানিয়েছেন, ওমিক্রন এখনো পর্যন্ত কারো মধ্যে গুরুতর অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারেনি। বেশিরভাগ রোগীই ১০ থেকে ১৪ দিনের মধ্যেই সুস্থ হয়ে যাচ্ছেন।
তবে ওমিক্রন দক্ষিণ আফ্রিকায় মহামারি আকার ধারণ করেছে মাত্র দুই সপ্তাহ হলো। ফলে এখনই চূড়ান্তভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন দেশটির চিকিৎসকরা।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News .....

© All rights reserved Samudrakantha © 2019

Site Customized By Shahi Kamran