1. samudrakantha@gmail.com : সম্পাদক : সম্পাদক ও প্রকাশক
  2. aimrashed20@gmail.com : Amirul Islam Rashed : Amirul Islam Rashed

‘আমার টার্গেট ছিল টিপু, প্রীতির গায়ে গুলি লেগেছে জানতাম না’

  • Update Time : রবিবার, ২৭ মার্চ, ২০২২
  • ৩৩ Time View

মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফনান প্রীতি হত্যার ঘটনায় শুটার মাসুম পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে বলেন, ‘আমার টার্গেট ছিল টিপুকে হত্যা করা। তাই আমি অস্ত্রের ট্রিগার চেপে রেখেছিলাম। একাধারে গুলি বের হচ্ছিল। প্রীতিকে টার্গেট করে গুলি মারিনি। প্রীতির শরীরে যে গুলি লেগেছে সেটা আমি জানতাম না। হত্যার পরের দিন টিভি দেখে জেনেছি। তাকে আমি গুলি করতেও যাইনি। আমার টার্গেট ছিল কেবল টিপু।’
রাজধানীর শাজাহানপুরে এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু ও কলেজছাত্রী সামিয়া আফনান প্রীতি হত্যার ঘটনায় শুটার মাসুম মোহাম্মদ আকাশকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
রোববার (২৭ মার্চ) দুপুরে মাসুমকে গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে হাজির করে ডিবি। তবে গণমাধ্যমের সামনে কিছু বলেনি মাসুম।
এ বিষয়ে রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ও গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘মাসুম এই হত্যাকাণ্ডের কথাটি আমার কাছে স্বীকার করেছে। হত্যার জন্য মাসুমকে কন্ট্রাক্ট করা হয়েছিল। তবে টাকা দিয়ে নয়, তাকে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে কন্ট্রাক্ট করা হয়। তার বিরুদ্ধে ৪-৫টি মামলা রয়েছে। একটি হত্যা মামলাও রয়েছে। তাকে সেসব মামলা থেকে সেভ করা হবে বলা হয়েছিল।’
ডিবি জানায়, গ্রেপ্তার মাসুম একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনা করেছে। তার বাবা একটি স্কুলের শিক্ষক। তার স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে।
হত্যার কারণ জানতে চাইলে এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, এ মুহূর্তে তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে আছি। মোটিভ পরে বলতে পারবো।
নিহত প্রীতির গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার মুরাদনগরে। বাবার চাকরিসূত্রে ঢাকায় থাকে তার পরিবার। প্রীতির বাবা জামাল উদ্দিন মিরপুর-২-এ একটি কোম্পানির ফ্যাক্টরির প্রোডাকশনে চাকরি করেন।
মেয়ে হত্যার বিচারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি মামলা করবো না। মামলা পরিচালনার মতো অবস্থা ও সুযোগ আমার নাই। কোনো বিবাদে জড়াতে চাই না। কেউ যদি সহযোগিতা করে সেটা ভিন্ন বিষয়।
প্রীতি বদরুন্নেসা কলেজে ইন্টারমিডিয়েটে পড়তো। পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে প্রীতি নিজে চাকরির চেষ্টা করছিল। ১৫ হাজার টাকায় একটা অফিসে চাকরি নিয়েছিল। সামনের মাসে জয়েন করার কথা ছিল। কিন্তু সেটা আর হলো না।

Share on your Facebook

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News .....

© All rights reserved Samudrakantha © 2019

Site Customized By Shahi Kamran